কিছুদিন আগে ওই বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত কন্ট্রাকটার দিব্যেন্দু সহ 4 জন স্থায়ী শ্রমিক কে টাকশাল কর্তৃপক্ষ ছাঁটাই এর কথা জানাই , যদিও এইসব বিভাগে তারা দীর্ঘদিন কাজ করছেন, এরপর দিব্যেন্দু সহ অন্যরা টাকশাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের সাথে কথা বললে তিনিও একই কথা বলেন
এবং এরপরই অবসাদে অসুস্থ হয়ে পড়েন দিব্যেন্দু , প্রথমে তাকে শালবনি সুপার স্পেশালিটি হসপিটালে ভর্তি করা হয় আজ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে মেদিনীপুর রেফার করা হয় এবং ভোরেই তিনি মারা যান
এই ঘটনা জানার পর শ্রমিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক এবং অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে
ইতিপূর্বে শ্রমিকদের বার বার প্রতারণা ও বঞ্চনার অভিযোগ উঠেছে টাকশাল এবং কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে
বিভিন্ন সময় শ্রমিকদের PF , ESI প্রভিতি প্রাপ্য না দিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে এমনকি নুন্নতম মজুরি যা টাকশাল কর্তৃপক্ষের ঘোষিত তও দেওয়াহয়না শ্রমিকদের
বার বার অমানবিক আচরণেরও অভিযোগ উঠেছে , গেটপাস ছাড়িয়ে নেয়ার হুমকি দিয়ে শ্রমিকদের মুখ বদ্ধ করা হয়েছে
এবং এখন কাজ না থাকার ধুও তুলে বিভিন্ন সেকশন থাকে দীর্ঘদিন কর্মরত শ্রমিকদের ছাঁটাই করার চেষ্টা হচ্ছে , অথচ নোটবন্দির সময়কালে প্রচন্ড শ্রম করে ১২ ঘন্টা কাজ করে এই শ্রমিকেরাই তৎকালীন চাহিদা মিটিয়েছে।

No comments:
Post a Comment