নিউটাউনের তিন কন্যা মোড়ের প্রকাশ্য রাস্তায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় এক গৃহবধুকে উদ্ধার করল নিউটাউন থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর গতকাল বিকেল ৬টা নাগাদ স্থানীয় এক বাসিন্দা নিউটাউন থানাতে ফোন করে জানান নিউটাউনের তিন কন্যা মোড়ে এক মহিলাকে দুইজন যুবক বেধরক মারধর করছে। ঘটনাস্থলে নিউটাউন থানার পুলিশ পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় পাপিয়া দাস নামক ঐ মহিলাকে উদ্ধার করে নিউটাউনের একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাপিয়া দাসের স্বামী বিশ্বজিত দাসের বন্ধুকে আটক করে নিউটাউন থানার পুলিশ। টালিগঞ্জের বাসিন্দা পাপিয়া দাস নিউটাউনের একটি বেসরকারী হাসপাতালে রাঁধুনীর কাজ করতেন। টিটাগড়ের বাসিন্দা বিশ্বজিত দাসের সাথে তার বিবাহ হলেও সাম্প্রতিক সময় পারিবারিক অশান্তির জেরে টালিগঞ্জে তাঁর বাবার বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন পাপিয়া। আজ বিকেলে হঠাৎই ঐ বেসরকারী হাসপাতাল থেকে সময়ের আগেই বেরিয়ে যান তিনি বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আটক করা বিশ্বজিতের বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে তার স্বামীর ফোন আসায় পাপিয়া তার কর্মস্থল থেকে সময়ের আগেই বেরিয়ে পরে এবং ইকো পার্কের 4 নম্বর গেটে অপেক্ষারত স্বামী এবং স্বামীর বন্ধু প্রশান্ত বিশ্বাসের সাথে দেখা করেন। সেখান থেকেই তাঁর স্বামী বিশ্বজিত এবং প্রশান্ত দুজনে মিলে তাকে নিউটাউনের তিন কন্যা মোড়ে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যান, সেখানেই স্বামীর সাথে বচসা শুরু হলে পাপিয়া দাসকে মাথায় হাঁতুরি দিয়ে আঘাত করেন তার স্বামী বিশ্বজিত বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা পুলিশকে ঘটনাটি জানালে পুলিশ এসে পৌঁছালে পাপিয়ার স্বামী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় এবং হাতেনাতে পুলিশের কাছে ধরা পরে স্বামীর বন্ধু প্রশান্ত বিশ্বাস। পাপিয়ার স্বামী বিশ্বজিত দাসের খোঁজে তল্লাশী শুরু করেছে নিউটাউন থানার পুলিশ। কি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গৃহবধুকে হত্যা করতে টিটাগড় থেকে নিউটাউনে এলেন স্বামী বিশ্বজিত এবং প্রশান্ত তা তদন্ত করে দেখছে নিউটাউন থানার পুলিশ। পাপিয়া দাস আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিউটাউনের একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিতসাধীন।
নিউটাউনের তিন কন্যা মোড়ের প্রকাশ্য রাস্তায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় এক গৃহবধুকে উদ্ধার করল নিউটাউন থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর গতকাল বিকেল ৬টা নাগাদ স্থানীয় এক বাসিন্দা নিউটাউন থানাতে ফোন করে জানান নিউটাউনের তিন কন্যা মোড়ে এক মহিলাকে দুইজন যুবক বেধরক মারধর করছে। ঘটনাস্থলে নিউটাউন থানার পুলিশ পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় পাপিয়া দাস নামক ঐ মহিলাকে উদ্ধার করে নিউটাউনের একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাপিয়া দাসের স্বামী বিশ্বজিত দাসের বন্ধুকে আটক করে নিউটাউন থানার পুলিশ। টালিগঞ্জের বাসিন্দা পাপিয়া দাস নিউটাউনের একটি বেসরকারী হাসপাতালে রাঁধুনীর কাজ করতেন। টিটাগড়ের বাসিন্দা বিশ্বজিত দাসের সাথে তার বিবাহ হলেও সাম্প্রতিক সময় পারিবারিক অশান্তির জেরে টালিগঞ্জে তাঁর বাবার বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন পাপিয়া। আজ বিকেলে হঠাৎই ঐ বেসরকারী হাসপাতাল থেকে সময়ের আগেই বেরিয়ে যান তিনি বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আটক করা বিশ্বজিতের বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে তার স্বামীর ফোন আসায় পাপিয়া তার কর্মস্থল থেকে সময়ের আগেই বেরিয়ে পরে এবং ইকো পার্কের 4 নম্বর গেটে অপেক্ষারত স্বামী এবং স্বামীর বন্ধু প্রশান্ত বিশ্বাসের সাথে দেখা করেন। সেখান থেকেই তাঁর স্বামী বিশ্বজিত এবং প্রশান্ত দুজনে মিলে তাকে নিউটাউনের তিন কন্যা মোড়ে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যান, সেখানেই স্বামীর সাথে বচসা শুরু হলে পাপিয়া দাসকে মাথায় হাঁতুরি দিয়ে আঘাত করেন তার স্বামী বিশ্বজিত বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা পুলিশকে ঘটনাটি জানালে পুলিশ এসে পৌঁছালে পাপিয়ার স্বামী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় এবং হাতেনাতে পুলিশের কাছে ধরা পরে স্বামীর বন্ধু প্রশান্ত বিশ্বাস। পাপিয়ার স্বামী বিশ্বজিত দাসের খোঁজে তল্লাশী শুরু করেছে নিউটাউন থানার পুলিশ। কি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গৃহবধুকে হত্যা করতে টিটাগড় থেকে নিউটাউনে এলেন স্বামী বিশ্বজিত এবং প্রশান্ত তা তদন্ত করে দেখছে নিউটাউন থানার পুলিশ। পাপিয়া দাস আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিউটাউনের একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিতসাধীন।

No comments:
Post a Comment