নতুন বাইক কেনার আনন্দে তিন বন্ধুর মদ্যপান আর সেই বন্ধুকে বাড়ি পৌঁছেদিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা, দুজনে ছিটকে পড়ে খালের জলে উঠতে নাপারায় মৃত্যু হয় দুজনেরই ।স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে খবর পনেরো দিন আগে টোটো চালক সাহেব সিংহ রায় একটি বাইক কেনেন সেই আনন্দেই সাহেব ,পল্লব ,রবিন তিনজনে মিলে পাশের স্থানীয় একটি মাঠে মদ্যপানের আসর বসায় তারা। আসরে বেসামাল হয়ে পড়েন পল্লব দাস তাই পল্লবকে নিজের বাড়িতে দক্ষিণ চাঁচিয়াড়ায় নিজের বাড়িতে রেখে আরএক বন্ধু রবীন দাসকে পাঁশকুড়ার সূরা নানকার গ্রামে বাইক নিয়ে ছাড়তে আসে। নেশাগ্রস্ত থাকায় সাহেব সামনের বাঁক মোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে গাছে গিয়ে ধাক্কা মারে। সাহেব ও রবীন দুজনেই ছিটকে গিয়ে পাশের খালে পড়ে ।নেশাগ্রস্ত থাকায় জলথেকে ওঠার খমতাছিলনা দুজনেরই। জলে ডুবে দুই জনের মৃত্যু হয় ।পুলিশ সূত্রে খবর দুই জনের কাছেই ছিল না হেলমেট ছিলনা।সাহেবের মা ঝরনা সিংহ রায় জানান গতকাল রাতে হঠাৎ করে ছেলে এসে বলে পল্লবকে বাড়িতে রেখে গেলাম ,আমি ১০ মিনিটে আসছি। রবীনকে বাড়ি ছেড়ে দিয়ে।ও বাড়ি না ফেরায় সারারাত খোঁজাখুঁজি শুরু করি। কোথাও নাপেয়ে ভোরের দিকে কালিন্দী পুরের যাওয়ার পথে রাস্তায় সাহেবের বাইক দেখতে পাই। সন্দেহ হয় প্রথমে মনে হয় বাইক যখন আছে কেউ হয়তো সাহেবকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তারপরই ওখানে আমরা খালে দুটো জুতো দেখতে পাই । জলে নেমে খোঁজাখুঁজি করতে সাহেবের পা হাতে লাগে। তারপরই তাকে টেনে তোলা হয় ।বন্ধু রবীনের জুতো ভাসতে দেখে আবার খোঁজাখুঁজি করি রবীনকেও একই যায়গায় থেকে পাওয়াযায়। দুজনের মৃতদেহ আমরাতুলি তবে ওরা যে মদ খেয়েছিল তা আমরা জানতাম না ।স্থানীয় বাসিন্দা বাসুদেব পাল জানান অতিরিক্ত পরিমাণের মদ্যপান করায় বাইকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেনি ওরা ধাক্কা মারে গাছে ছিককে জলে পড়ে যায়ওরা। উঠে আসার ক্ষমতাটুকু ছিলনা জলে ডুবে মৃত্যু হয়। সকাল বেলা আমরা দেখতে পাই সবাই খোঁজাখুঁজি করতে দুজনেরই মৃতদেহ পাওয়া যায়। পুলিশকে খবর দেওয়া হয় ।ঘটনাস্থলে পাঁশকুড়া থানা পুলিশ আসেন। দুটি মৃতদেহ পাঁশকুড়া থানার পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য তমলুক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছে।
নতুন বাইক কেনার আনন্দে তিন বন্ধুর মদ্যপান আর সেই বন্ধুকে বাড়ি পৌঁছেদিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা, দুজনে ছিটকে পড়ে খালের জলে উঠতে নাপারায় মৃত্যু হয় দুজনেরই ।স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে খবর পনেরো দিন আগে টোটো চালক সাহেব সিংহ রায় একটি বাইক কেনেন সেই আনন্দেই সাহেব ,পল্লব ,রবিন তিনজনে মিলে পাশের স্থানীয় একটি মাঠে মদ্যপানের আসর বসায় তারা। আসরে বেসামাল হয়ে পড়েন পল্লব দাস তাই পল্লবকে নিজের বাড়িতে দক্ষিণ চাঁচিয়াড়ায় নিজের বাড়িতে রেখে আরএক বন্ধু রবীন দাসকে পাঁশকুড়ার সূরা নানকার গ্রামে বাইক নিয়ে ছাড়তে আসে। নেশাগ্রস্ত থাকায় সাহেব সামনের বাঁক মোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে গাছে গিয়ে ধাক্কা মারে। সাহেব ও রবীন দুজনেই ছিটকে গিয়ে পাশের খালে পড়ে ।নেশাগ্রস্ত থাকায় জলথেকে ওঠার খমতাছিলনা দুজনেরই। জলে ডুবে দুই জনের মৃত্যু হয় ।পুলিশ সূত্রে খবর দুই জনের কাছেই ছিল না হেলমেট ছিলনা।সাহেবের মা ঝরনা সিংহ রায় জানান গতকাল রাতে হঠাৎ করে ছেলে এসে বলে পল্লবকে বাড়িতে রেখে গেলাম ,আমি ১০ মিনিটে আসছি। রবীনকে বাড়ি ছেড়ে দিয়ে।ও বাড়ি না ফেরায় সারারাত খোঁজাখুঁজি শুরু করি। কোথাও নাপেয়ে ভোরের দিকে কালিন্দী পুরের যাওয়ার পথে রাস্তায় সাহেবের বাইক দেখতে পাই। সন্দেহ হয় প্রথমে মনে হয় বাইক যখন আছে কেউ হয়তো সাহেবকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তারপরই ওখানে আমরা খালে দুটো জুতো দেখতে পাই । জলে নেমে খোঁজাখুঁজি করতে সাহেবের পা হাতে লাগে। তারপরই তাকে টেনে তোলা হয় ।বন্ধু রবীনের জুতো ভাসতে দেখে আবার খোঁজাখুঁজি করি রবীনকেও একই যায়গায় থেকে পাওয়াযায়। দুজনের মৃতদেহ আমরাতুলি তবে ওরা যে মদ খেয়েছিল তা আমরা জানতাম না ।স্থানীয় বাসিন্দা বাসুদেব পাল জানান অতিরিক্ত পরিমাণের মদ্যপান করায় বাইকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেনি ওরা ধাক্কা মারে গাছে ছিককে জলে পড়ে যায়ওরা। উঠে আসার ক্ষমতাটুকু ছিলনা জলে ডুবে মৃত্যু হয়। সকাল বেলা আমরা দেখতে পাই সবাই খোঁজাখুঁজি করতে দুজনেরই মৃতদেহ পাওয়া যায়। পুলিশকে খবর দেওয়া হয় ।ঘটনাস্থলে পাঁশকুড়া থানা পুলিশ আসেন। দুটি মৃতদেহ পাঁশকুড়া থানার পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য তমলুক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছে।

No comments:
Post a Comment