রাজিব আনসারী। শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক। টাকার অভাবে আর বেশি দূর যেতে পারেন নি। তবে ছোট বেলা থেকেই তার ইচ্ছে ছিল যে জীবনে কিছু করে দেখাব। বছর ৩৬ এর যুবক রাজিবের নাম এখন সবার মুখে। ১৪ বছর বয়স থেকে লুকিয়ে ক্যারাটে প্যাকটিস করতেন। অর্থনৈতিক দুর্বলতা থাকার কারনে সেই বসত গ্রাম থেকে বহরমপুর এ সাইকেলে করে এসে টাউন ক্লাবে প্রশিক্ষণ নিতেন শিক্ষক অজয় রায় চৌধুরীর কাছে। প্রশিক্ষণ নিতে নিতে নিজের মনের মধ্যে ইচ্ছে এবং জেদ দুটোই সৃষ্টি হল, কিছু রেকর্ড করে দেখাব। আস্তে আস্তে প্রতিযোগী হিসাবে খেলা শুরু করলেন জাতীয় স্তর থেকে আন্তর্জাতিক স্তরে। তিনি ক্যারাটে খেলার সবচেয়ে বড় ডিগ্রি ব্ল্যাক বেল্টও পান International Sotokan Sobukan Karate Association এর পক্ষ থেকে।
তিনি বেশ কিছু বছর আগে বেঙল চাম্পিয়ন ও হন। জীবনের প্রথম ইচ্ছা পূরণ করতে ভারতের হয়ে ওয়ার্ল্ড কাপ খেলতে নামেন। ২০১৬ সালে মুম্বাই এর প্রিয়দর্শিনী স্পোর্টস কমপ্লেক্স এ ওয়ার্ল্ড কাপ অনুষ্ঠিত হয়। রাশিয়া, লন্ডন, আমেরিকা, কোরিয়া, জাপান, নেদারল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, সাউথ আফ্রিকা, আজার বাইজান সহ ৩০ টি দেশের কেরাটে খেলোয়াড়রা এই খেলায় অংশগ্রহণ করেছিল। জীবনের প্রথম ওয়ার্ল্ড কাপে জয়ী হয়ে ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন।
২০১৭ সালে ওয়ার্ল্ড কাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংল্যান্ডে। কিন্তু টাকার অভাবে রাজিব আনসারী ইংল্যান্ডে গিয়ে খেলে আসতে পারেন নি । এখন আসল কথা হল টাকা। প্রশাসন এবং সরকারের তরফ থেকে কিছুটা সাহায্য পেলে এই টুকু বলা যায় যে ইনশাল্লাহ আগামীতে প্রতিটি বিশ্বকাপে এবং অলিম্পিকে ভারত স্থান অধিকার করবে। বিখ্যাত কেরাটে মাস্টার ১ মিনিটে ৫৫৪ টি পাঞ্চ করে সারা ভারতবর্ষ কে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই কর্মের জন্য তার নাম স্থান পেয়েছে ইন্ডিয়ান বুক অফ রিকোডসে। প্রথম দিকে ৫ সেকেন্ডে ৫৫ টি পাঞ্চ মারতে মারতে হঠাৎ ১ মিনিটে ৫৫৪ টি পাঞ্চ মেরে হৈ চৈ ফেলেদিয়েছে সারা পৃথিবীর ক্রীড়া মহলে। ক্রীড়াবিদের সাক্ষাতকার নেওয়ার সময় তিনি বলেন যে, ইন্ডিয়ান বুক অফ রিকোডস এ নাম ওঠার পর আমাকে ব্লক প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলা এবং রাজ্যের বিশিষ্ট জনেরা সংবর্ধনা দিয়েছেন। হরিহরপাড়া ব্লকের বি. ডি. ও. পুরনেন্দু বাবু কিছু টাকা দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। তার সাথে সাথে মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিশ সুপার শ্রী মুকেশ বাবুও একটি দামী মোবাইল উপহার হিসাবে আমার হাতে তুলে দিয়েছেন। আমি খুব খুশি।
সব থেকে বড় কথা হল রাজিব শুধু জেলা বা রাজ্যের অহংকার নয়, তিনি ভারতের ও অহংকার।
সাক্ষাতকার পর্বের শেষে রাজিব বাবু কে জিজ্ঞেস করলাম আপনার আগামীতে জীবনের বড় ইচ্ছে কি ?
তিনি উত্তর দিলেন গিনেস বুক অফ রেকর্ডে নাম তোলার।
তিনি বেশ কিছু বছর আগে বেঙল চাম্পিয়ন ও হন। জীবনের প্রথম ইচ্ছা পূরণ করতে ভারতের হয়ে ওয়ার্ল্ড কাপ খেলতে নামেন। ২০১৬ সালে মুম্বাই এর প্রিয়দর্শিনী স্পোর্টস কমপ্লেক্স এ ওয়ার্ল্ড কাপ অনুষ্ঠিত হয়। রাশিয়া, লন্ডন, আমেরিকা, কোরিয়া, জাপান, নেদারল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, সাউথ আফ্রিকা, আজার বাইজান সহ ৩০ টি দেশের কেরাটে খেলোয়াড়রা এই খেলায় অংশগ্রহণ করেছিল। জীবনের প্রথম ওয়ার্ল্ড কাপে জয়ী হয়ে ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন।
২০১৭ সালে ওয়ার্ল্ড কাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংল্যান্ডে। কিন্তু টাকার অভাবে রাজিব আনসারী ইংল্যান্ডে গিয়ে খেলে আসতে পারেন নি । এখন আসল কথা হল টাকা। প্রশাসন এবং সরকারের তরফ থেকে কিছুটা সাহায্য পেলে এই টুকু বলা যায় যে ইনশাল্লাহ আগামীতে প্রতিটি বিশ্বকাপে এবং অলিম্পিকে ভারত স্থান অধিকার করবে। বিখ্যাত কেরাটে মাস্টার ১ মিনিটে ৫৫৪ টি পাঞ্চ করে সারা ভারতবর্ষ কে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই কর্মের জন্য তার নাম স্থান পেয়েছে ইন্ডিয়ান বুক অফ রিকোডসে। প্রথম দিকে ৫ সেকেন্ডে ৫৫ টি পাঞ্চ মারতে মারতে হঠাৎ ১ মিনিটে ৫৫৪ টি পাঞ্চ মেরে হৈ চৈ ফেলেদিয়েছে সারা পৃথিবীর ক্রীড়া মহলে। ক্রীড়াবিদের সাক্ষাতকার নেওয়ার সময় তিনি বলেন যে, ইন্ডিয়ান বুক অফ রিকোডস এ নাম ওঠার পর আমাকে ব্লক প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলা এবং রাজ্যের বিশিষ্ট জনেরা সংবর্ধনা দিয়েছেন। হরিহরপাড়া ব্লকের বি. ডি. ও. পুরনেন্দু বাবু কিছু টাকা দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। তার সাথে সাথে মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিশ সুপার শ্রী মুকেশ বাবুও একটি দামী মোবাইল উপহার হিসাবে আমার হাতে তুলে দিয়েছেন। আমি খুব খুশি।
সব থেকে বড় কথা হল রাজিব শুধু জেলা বা রাজ্যের অহংকার নয়, তিনি ভারতের ও অহংকার।
সাক্ষাতকার পর্বের শেষে রাজিব বাবু কে জিজ্ঞেস করলাম আপনার আগামীতে জীবনের বড় ইচ্ছে কি ?
তিনি উত্তর দিলেন গিনেস বুক অফ রেকর্ডে নাম তোলার।




No comments:
Post a Comment