সব ধরনের মেলার জন্য নির্ধারিত ই এম বাইপাসের ধারে মিলনমেলা প্রাঙ্গণের চেহারা বদলে ফেলার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। এ জন্য খরচ ধরা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।
রাজ্য শিল্পোন্নয়ন নিগম ওই টাকা খরচ করে মেলাপ্রাঙ্গণের আমূল পরিবর্তন করতে চলেছে। এই কাজের জন্য সময় নেওয়া হয়েছে ১৮ মাস। তার জন্য হাতে কিছুটা সময় রেখে আগামী দু’বছর মিলনমেলা প্রাঙ্গণে কোনও অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে নিগমের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান, মেলা করার আদর্শ জায়গা হিসাবে মিলনমেলা প্রাঙ্গণেও থাকুক আধুনিকতার ছোঁয়া। সেখানে সবরকমের মেলা করার জন্য সমস্ত রকম আধুনিক পরিকাঠামো যেন থাকে। বর্তমানে সেখানে যে হ্যাঙ্গারগুলি রয়েছে, সেগুলিতে ৫০০-৭০০ মানুষ বসতে পারে। এর বেশি সংখ্যক মানুষ বসার জন্য অস্থায়ী অডিটোরিয়াম তৈরি করতে হয়। এবার স্থায়ী কাঠামো তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেএলএল নামে বিশেষজ্ঞ সংস্থা মিলনমেলা প্রাঙ্গণের ডিজাইন করেছে।
নিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই ডিজাইন অনুযায়ী, ছ’টি অডিটোরিয়াম থাকবে। তার মধ্যে দু’টিতে দু’থেকে আড়াই হাজার মানুষ একসঙ্গে বসতে পারবেন। এছাড়াও থাকবে চারটি কনফারেন্স হল। থাকবে ওপেন স্পেস অডিটোডিয়াম। দু’টি এগজিবিশন হল। একটি ওপেন স্পেস এগজিবিশন তৈরি হবে। সেখানে নানা ধরনের প্রদর্শনীর সুযোগ থাকবে। হবে ফুডপার্ক ও কাফেটোরিয়া। এছাড়াও থাকবে একটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিং। বর্তমানে একটি আছে। সেটিকে বদলে দেওয়া হবে।
যেভাবে নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টার তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই রকম বিশ্বমানের মেলাপ্রাঙ্গণ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এককথায় তা হবে দর্শনীয়।
রাজ্য শিল্পোন্নয়ন নিগম ওই টাকা খরচ করে মেলাপ্রাঙ্গণের আমূল পরিবর্তন করতে চলেছে। এই কাজের জন্য সময় নেওয়া হয়েছে ১৮ মাস। তার জন্য হাতে কিছুটা সময় রেখে আগামী দু’বছর মিলনমেলা প্রাঙ্গণে কোনও অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে নিগমের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান, মেলা করার আদর্শ জায়গা হিসাবে মিলনমেলা প্রাঙ্গণেও থাকুক আধুনিকতার ছোঁয়া। সেখানে সবরকমের মেলা করার জন্য সমস্ত রকম আধুনিক পরিকাঠামো যেন থাকে। বর্তমানে সেখানে যে হ্যাঙ্গারগুলি রয়েছে, সেগুলিতে ৫০০-৭০০ মানুষ বসতে পারে। এর বেশি সংখ্যক মানুষ বসার জন্য অস্থায়ী অডিটোরিয়াম তৈরি করতে হয়। এবার স্থায়ী কাঠামো তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেএলএল নামে বিশেষজ্ঞ সংস্থা মিলনমেলা প্রাঙ্গণের ডিজাইন করেছে।
নিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই ডিজাইন অনুযায়ী, ছ’টি অডিটোরিয়াম থাকবে। তার মধ্যে দু’টিতে দু’থেকে আড়াই হাজার মানুষ একসঙ্গে বসতে পারবেন। এছাড়াও থাকবে চারটি কনফারেন্স হল। থাকবে ওপেন স্পেস অডিটোডিয়াম। দু’টি এগজিবিশন হল। একটি ওপেন স্পেস এগজিবিশন তৈরি হবে। সেখানে নানা ধরনের প্রদর্শনীর সুযোগ থাকবে। হবে ফুডপার্ক ও কাফেটোরিয়া। এছাড়াও থাকবে একটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিং। বর্তমানে একটি আছে। সেটিকে বদলে দেওয়া হবে।
যেভাবে নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টার তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই রকম বিশ্বমানের মেলাপ্রাঙ্গণ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এককথায় তা হবে দর্শনীয়।

No comments:
Post a Comment