দিনের পর দিন ধরে বেড়েই চলেছে জঙ্গিহানা। এবছরে প্রায় কয়েকশো জওয়ান শহীদ হয়েছে তাদের গুলিতে। পাশাপাশি দেশের বীর জওয়ানরাও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক থেকে শুরু করে নানা হামলা চালিয়ে কয়েক হাজার পাক জঙ্গিদের নিহত করেছে। তবুও আতঙ্ক রয়ে যায় দেশকে বাঁচানো নিয়ে। দিন-রাত এক করে তারা পাহারা দিচ্ছেন দেশবাসীদের।দেশবাসীরা আরামে নিদ্রা দিলে তারা চোখ খোলা রেখে সজাগ থাকে পাক জঙ্গি কখন পিছন থেকে হামলা চালাবে আর তাতে ক্ষতি হবে দেশের। সেই কারণে তারা দিনের পর দিন ধরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুযায়ী সীমান্তগুলো ও স্টেশন চত্বর, বিমানবন্দর চত্বর ও বিভিন্ন বড় বড় জায়গাগুলি নির্দ্বিধায় পাহারা দিয়ে চলেছে।
প্রসঙ্গত দেশের বড় বড় দিনগুলি যেমন প্রজাতন্ত্র দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বড়দিন, ১লা জানুয়ারি, গান্ধী জন্মদিন ইত্যাদি নানা অনুষ্ঠানের দিনে জঙ্গি আক্রমণের আশঙ্কা সাধারণত বেশি থাকে। কারণ সেইদিন দেশবাসী আনন্দে আত্মহারা থাকে। আর সেই সুযোগেই পিছন থেকে পাকিস্তানের জঙ্গি দেশকে ধ্বংস করার ছক কষে। যদিও জঙ্গিরা প্রত্যেকবারের মতই ব্যর্থ। দৃঢ়বিশ্বাস ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে জঙ্গিরা। তাও জঙ্গিরা নানা ছক প্রতিবারই করে থাকে। এই ছক থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে তৈরি থাকে দেশের বীর জওয়ানরা। এইবারও প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনে কোনো রকম দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য দেশে কড়া নিরাপত্তা শুরু করে দিয়েছে জওয়ানরা। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই দেশকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর সেনারা। বোমাতঙ্ক থেকে শুরু করে কোনো রকম হামলা যাতে না হয় তার জন্য আলাদা প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেড থেকে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছেন জওয়ানরা।
শুক্রবার প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে শহরের গুরুত্বপূর্ন জায়গাগুলি ।সীমান্তের পাশাপাশি কড়া নিরাপত্তার ছবি ধরা পড়লো কলকাতা বিমানবন্দরেও । সকাল থেকেই চলছে বাড়তি বাহিনী নিয়ে নজরদারি।


No comments:
Post a Comment