চাঁদনী,মেদিনীপুর: দুর্গা পুজো হোক বা সরস্বতী পুজো- যেকোনও পুজোর সময়েই মেদিনীপুর শহরে বিভিন্ন রকমের ব্যতিক্রমী মূর্তি দেখতে পাওয়া যায় শহরের যুবক তারক পাইনের কাছে। এবারেও গৃহস্থালির বিভিন্ন ব্যবহৃত জিনিস দিয়ে প্রায় সাত ফুটের সরস্বতী মূর্তি বানিয়ে ফেলেছেন তিনি।স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের চামচ, কড়াই, সসপ্যান, হাঁড়ি দিয়ে বানানো হয়েছে এই মূর্তি। মেদিনীপুর শহরের কলেজ স্কোয়ারের ‘ব্যতিক্রম’ পুজো মণ্ডপের জন্য তিনি এই মূর্তি তৈরি করেছেন।মেদিনীপুর শহরের বল্লভপুর এলাকার বাসিন্দা তারক পাইন। তারক শিল্পী নামেই পরিচিত। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর শিল্প কলার নিদর্শন মানুষ আগেও দেখেছে। ব্যতিক্রমী মূর্তি গড়তে হলেই মেদিনীপুরের বহু পুজো সমিতি তারক পাইনকেই ডাকে। নিজের বাড়িতেই তিনি মূর্তি তৈরির কাজ করেন।এই সেই প্রতিমা। নিজস্ব চিত্রসংখ্যায় খুব বেশি মূর্তি না গড়লেও, যে ক’টি তৈরি করেন, তার সবই একেবারে অন্য ধরনের। কখনও সবজি দিয়ে গড়েন কালী মূর্তি, কখনও প্লাস্টিকের পরিত্যক্ত জিনিস দিয়ে তৈরি করেন দুর্গাপ্রতিমা। সাইকেল, মোটর সাইকেলের পরিত্যক্ত জিনিস দিয়েও মূর্তি বানিয়েছেন তিনি। চকোলেট-বিস্কুট দিয়েও প্রতিমা তৈরি করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।এবারেও স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের সরঞ্জাম দিয়ে তৈরি করছেম বীণাপাণির মূর্তি। সসপ্যান দিয়ে তৈরি হয়েছে দেবীর মুখ, গ্লাস দিয়ে হাত ও স্টিলের চামচ দিয়ে হাতের আঙুল। বস্ত্র সজ্জাও হয়েছে বিভিন্ন রকমের স্টিলের চামচ দিয়ে। হাঁস বানানো হয়েছে অ্যালুমিনিয়ামের কড়াই দিয়ে। এমন বিভিন্ন জিনিস দিয়েই পুরো ৭ ফুটের মূর্তি তৈরি করেছেন তারক পাইন।তারকের কথায়, “প্রতিবারই বিভিন্ন বার্তা দিতে এক এক রকমের মূর্তি তৈরি করেছি। এবার সকলকে শুধু আনন্দ দিতে তৈরি করলাম।”
চাঁদনী,মেদিনীপুর: দুর্গা পুজো হোক বা সরস্বতী পুজো- যেকোনও পুজোর সময়েই মেদিনীপুর শহরে বিভিন্ন রকমের ব্যতিক্রমী মূর্তি দেখতে পাওয়া যায় শহরের যুবক তারক পাইনের কাছে। এবারেও গৃহস্থালির বিভিন্ন ব্যবহৃত জিনিস দিয়ে প্রায় সাত ফুটের সরস্বতী মূর্তি বানিয়ে ফেলেছেন তিনি।স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের চামচ, কড়াই, সসপ্যান, হাঁড়ি দিয়ে বানানো হয়েছে এই মূর্তি। মেদিনীপুর শহরের কলেজ স্কোয়ারের ‘ব্যতিক্রম’ পুজো মণ্ডপের জন্য তিনি এই মূর্তি তৈরি করেছেন।মেদিনীপুর শহরের বল্লভপুর এলাকার বাসিন্দা তারক পাইন। তারক শিল্পী নামেই পরিচিত। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর শিল্প কলার নিদর্শন মানুষ আগেও দেখেছে। ব্যতিক্রমী মূর্তি গড়তে হলেই মেদিনীপুরের বহু পুজো সমিতি তারক পাইনকেই ডাকে। নিজের বাড়িতেই তিনি মূর্তি তৈরির কাজ করেন।এই সেই প্রতিমা। নিজস্ব চিত্রসংখ্যায় খুব বেশি মূর্তি না গড়লেও, যে ক’টি তৈরি করেন, তার সবই একেবারে অন্য ধরনের। কখনও সবজি দিয়ে গড়েন কালী মূর্তি, কখনও প্লাস্টিকের পরিত্যক্ত জিনিস দিয়ে তৈরি করেন দুর্গাপ্রতিমা। সাইকেল, মোটর সাইকেলের পরিত্যক্ত জিনিস দিয়েও মূর্তি বানিয়েছেন তিনি। চকোলেট-বিস্কুট দিয়েও প্রতিমা তৈরি করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।এবারেও স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের সরঞ্জাম দিয়ে তৈরি করছেম বীণাপাণির মূর্তি। সসপ্যান দিয়ে তৈরি হয়েছে দেবীর মুখ, গ্লাস দিয়ে হাত ও স্টিলের চামচ দিয়ে হাতের আঙুল। বস্ত্র সজ্জাও হয়েছে বিভিন্ন রকমের স্টিলের চামচ দিয়ে। হাঁস বানানো হয়েছে অ্যালুমিনিয়ামের কড়াই দিয়ে। এমন বিভিন্ন জিনিস দিয়েই পুরো ৭ ফুটের মূর্তি তৈরি করেছেন তারক পাইন।তারকের কথায়, “প্রতিবারই বিভিন্ন বার্তা দিতে এক এক রকমের মূর্তি তৈরি করেছি। এবার সকলকে শুধু আনন্দ দিতে তৈরি করলাম।”

No comments:
Post a Comment