আসানসোল: দঃ বিধান সভা কেন্দ্রের হীরাপুরের নরসিংবাঁধ অঞ্চলে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর অশান্তি বন্ধ করতে আসরে নামল জেলা তৃণমূল। রবিবার ৭৭নং ওয়ার্ডের ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপক্ষকে সংযত হতে নির্দেশ দিয়েছে দল। অন্যথায় কাউন্সিলর শ্রবণ সাউ সহ দুইগোষ্ঠীর নেতাদের জেলে যেতে হবে বলে জানিয়েছে সেখানে সমস্যা মেটাতে যাওয়া জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব৷
সরস্বতী পুজোর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলরের অনুগামীদের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল মহিলা নেত্রী সীমা মণ্ডল, পুজা মণ্ডলের অশান্তি বাধে। অভিযোগ মিমাংসার নামে কাউন্সিলর ডেকে পাঠিয়ে তলোয়ার দিয়ে মারধর করে। এই নিয়ে হীরাপুর থানা ঘেরাও করেন স্থানীয় মহিলারা। পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়। ঘটনা থামাতে সক্রিয় হন জেলা তৃণমূল সভাপতি। এলাকায় এদিন আয়োজিত চক্ষু পরীক্ষা শিবিরকে সামনে রেখে হাজির ছিলেন এলাকার তৃণমূলের পদাধিকারী নেতৃত্ব৷ অনুষ্ঠানে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান নিগৃহীতরা।
মহিলারা অভিযোগ করেন, কাউন্সিলর ও তাঁর অনুগামীরা মারধর করেছেন। তৃণমূলের হয়ে ভোটে কাজ করার পরেও তাঁদের বিজেপি কর্মী বলে চালানোর চেষ্টা করেছেন কাউন্সিলর।
জেলার ওই নেতা এর পরেই হুমকি দেন, সমস্যা মেটানোর। দুপক্ষ আলোচনায় বসুক। অন্যথায় পুলিশ দিয়ে দুপক্ষের অভিযুক্তদের জেলে ভরে দেওয়া হবে। যাঁরা মারধর করেছে তাঁদের চিকিৎসার খরচ দিতে হবে। কেন কাউন্সিলর গোলমালের গিয়েছেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।পাশাপাশি কাউন্সিলার
শ্রবণ সাউ জানান, নেতৃত্ব যা বলেছে সেই মতো চলব। ঘটনার দিনে গোলমালের খবর পেয়ে গিয়েছিলাম।

No comments:
Post a Comment