চাঁদনী,নন্দকুমার: পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পদ থেকে ভারতী ঘোষকে সরানো নিয়ে আজ নন্দকুমারের দলিয় সভায় উপস্থিত হয়ে বিজেপির কেন্দ্রিয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেন, বিজেপির সাথে যোগাযোগ ছিল বলে ভারতী ঘোষকে সরানো হয়নি। এর পেছনে অন্য রহস্য রয়েছে তা হল নিজেদের বখরা ভাগাভাগি বা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে গন্ডগোলের কারনেই ভারতী ঘোষকে সরিয়ে দিল মা মমতা। কিছু দিন আগে মায়ের সমান ভারতী ঘোষকে বেটি বলে ডাকতেন। আর ভারতী ঘোষ মা বলে অবিহিত করতেন। আমরা কি দেখলাম মায়ের সমান একটি বেটি হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নিজেদের ভাগ বাটোয়ারাই নিয়ে গন্ডগোল, ভারতী ঘোষ কম টাকা তুলে দিচ্ছিল তাই তাকে সরানো হয়েছে। এটাই ছিল মূল কারন।
ভারতী ঘোষ দক্ষ্য পুলিশ অফিসার আমি বলবো না।আমি ভারতী ঘোষকে কতবার নির্বাচনের আগে ইলেকশন কমিশনকে বলে ওকে দায়িত্ব ছাড়া করেছিলাম।অতএব ভারতী ঘোষকে আমরা একটিও সার্টিফিকেট দিতে চাই না।কিন্তু আমার বক্তব্য হচ্ছে এটাই যখন দরকার হচ্ছে তখন ভারতী ঘোষকে দিয়ে সমস্ত কিছু করিয়ে নিয়েছে। আর সময় ফুরিয়েগেলে তাকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের ধর্ম।আর এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্ম। এছাড়াও তিনি রাজ্যে ধর্ষনের ঘটনা নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। আর এ রাজ্যে মহিলাদের ধর্ষন হলে তাদের ১০ হাজার আর ২০ হাজার করে টাকা দিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করার চেস্টা করে চলেছেন। এরাজ্যে মহিলারা ধর্ষিতা হবে না কেন? তার দলের সাংসদ যেখানে বলছেন ঘরে লোক ঢুকে মহিলাদের ধর্ষন করাবেন সেখানে তার সরকার এই ধরনের ঘটনাকে চাপা দেওয়ার জন্য হাফ ধর্ষন হলে ১০ হাজার আর ফুল ধর্ষন হলে ২০ হাজার টাকা দিয়ে চলেছেন। এদিন তিনি তিন তালাক নিয়েও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র হুংকার জানিয়ে বলেন, রাজ্যে মুসলিম সম্প্রদায় তৃণমুলের সাথে থাকলেও মুসিলম সম্প্রদায়ের মহিলাদের কথা ভাবেননি। তাই মুসলিম মহিলারা আমাদের কেন্দ্রিয় কমিটির দারস্থ হয়েছিল।
রাজ্যে বিভিন্ন সভায় মুসলিম মহিলাদের কথা বললেও রাজ্যসভায় তিন তালাক নিয়ে কিছু বলছেন না। তাই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার মুসলিম মহিলারা একে একে বিজেপিতে যোগদান করে চলেছেন। আজ যেমন নন্দকুমারের প্রায় ৬০ জন মুসলিম মহিলা আমাদের দলে যোগদান করেছ। আমরা সেই মুসলিমদের আমাদের দেশে রাখতে চাই যারা প্রকৃত ভারতমাতাকে সম্মান করে। আর যারা এদেশে থেকে পাকিস্থানের জয়ে উল্লাসিত হয়ে উঠে তাদের লাথি মেরে তাড়িয়ে দেবো। আর শুধু মুসলিম নয় হিন্দুদের মধ্যেও যারা অন্য দেশের হয়ে উল্লাসিত হয়ে উঠবে তাদেরও তাড়িতে দিতে হবে।
আজ নন্দকুমার হাই স্কুল মাঠে ভারতীয় জনতা পার্টির আয়োজনে জাগরন যাত্রার ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই সভায় রাহুল সিনহার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরি, জেলা সভাপতি প্রদীপ দাস সহ অন্যান্যরা।
পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাংলায় তেলেভাজার সরকারকে বিরুদ্ধে সকলে একজোট হয়ে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন রাহুলবাবু।



No comments:
Post a Comment