মৃন্ময় নস্কর,সোনারপুর: সোনারপুরে বাইক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন দুই যুবক। মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে সোনারপুরের মিশনপল্লি এলাকায় রবিবার রাতে ১২ টা নাগাদ। সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ নিয়ে প্রচার সত্বেও বাইক আরোহীদের গাফিলতি কমে নি। আর তারই মাশুল গুনতে হল এই দুই যুবককে। মাথায় হেলমেট ছাড়াই দু জনে দুরন্ত গতিতে মোটর বাইক চালাতে গিয়ে একটি চাল ভর্তি ট্রাকে গিয়ে ধাক্কা মারে। আর তাতেই দুজনের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের নাম বাপ্পা দাস (২৭) এবং বিনয় নস্কর (৩৫)। দুজনেরই বাড়ি সোনারপুরের কামরাবাদ এলাকায়।
একজন থাকে তারার বাগানে এবং অন্যজন কামরাবাদ নস্কর পাড়ায়। স্থানীয় মনুষ ও পুলিস সূত্রে জানা গেছে, কামরাবাদে বিনয়ের একটি দোকান রয়েছে। আর বাপ্পা একটি মোবাইল কোম্পানীতে সেলসের কাজ করতেন। রবিবার ওই এলাকায় একটি রক্তদান শিবির হয়েছিল। সেই উপলক্ষ্যে রাতে একটি পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছিল। তাতেই যোগ দিয়ে বিনয় ও বাপ্পা নামের দুই বন্ধু। পিকনিকের খাবার খেয়ে রাত পৌনে ১২ টা নাগাদ দুজনে বিনয়ের বাইকে করে কামালগাজিতে তেল ভরতে বের হয়। তারা হেলমেট ছাড়াই দুরন্ত গতিতে কামালগাজির দিকে যাচ্ছিল। মিশন পল্লির কাছে উল্টো দিক থেকে একটি চাল বোঝাই লরি ভাঙড়ের চন্দনেশ্বরে চাল নিয়ে আসছিল। বিনয় ও বাপ্পার হোন্ডা পালসার বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই লরির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা মারে। আর তাতেই দুজনে বাইক থেকে ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই দুজনের মাথায় প্রচন্ড চোট লাগে। মারা যায়।
এলাকার মানুষ বিকট শব্দে বেরিয়ে আসেন। তাঁরাই সোনারপুর থানায় খবর দেন। পুলিস গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে সুভাষগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাদের মৃত বলে ঘোষনা করেন। ঘটনার পরই লরির চালক ও খালাসি লরি ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পুলিস জানায়, চালকের খোঁজ চলছে। লরিটি বর্ধমানের। তবে আরামবাগ থেকে চাল নিয়ে ভাঙড়ে আসছিল। পুলিসের ধারনা মোটর বাইক আরোহীরা হেলমেট ব্যবহার করলে তাদের মৃত্যু হয়তো আটকানো যেত।
একজন থাকে তারার বাগানে এবং অন্যজন কামরাবাদ নস্কর পাড়ায়। স্থানীয় মনুষ ও পুলিস সূত্রে জানা গেছে, কামরাবাদে বিনয়ের একটি দোকান রয়েছে। আর বাপ্পা একটি মোবাইল কোম্পানীতে সেলসের কাজ করতেন। রবিবার ওই এলাকায় একটি রক্তদান শিবির হয়েছিল। সেই উপলক্ষ্যে রাতে একটি পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছিল। তাতেই যোগ দিয়ে বিনয় ও বাপ্পা নামের দুই বন্ধু। পিকনিকের খাবার খেয়ে রাত পৌনে ১২ টা নাগাদ দুজনে বিনয়ের বাইকে করে কামালগাজিতে তেল ভরতে বের হয়। তারা হেলমেট ছাড়াই দুরন্ত গতিতে কামালগাজির দিকে যাচ্ছিল। মিশন পল্লির কাছে উল্টো দিক থেকে একটি চাল বোঝাই লরি ভাঙড়ের চন্দনেশ্বরে চাল নিয়ে আসছিল। বিনয় ও বাপ্পার হোন্ডা পালসার বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই লরির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা মারে। আর তাতেই দুজনে বাইক থেকে ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই দুজনের মাথায় প্রচন্ড চোট লাগে। মারা যায়।
এলাকার মানুষ বিকট শব্দে বেরিয়ে আসেন। তাঁরাই সোনারপুর থানায় খবর দেন। পুলিস গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে সুভাষগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাদের মৃত বলে ঘোষনা করেন। ঘটনার পরই লরির চালক ও খালাসি লরি ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পুলিস জানায়, চালকের খোঁজ চলছে। লরিটি বর্ধমানের। তবে আরামবাগ থেকে চাল নিয়ে ভাঙড়ে আসছিল। পুলিসের ধারনা মোটর বাইক আরোহীরা হেলমেট ব্যবহার করলে তাদের মৃত্যু হয়তো আটকানো যেত।



No comments:
Post a Comment