এবার মদ্যপের হাতে আক্রান্ত প্রতিবাদী যুবক।এবার বাড়ির পাশে মদ্যপানের আসর বসানোর প্রতিবাদ করায় প্রতিবাদীকে গায়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা এক মদ্যপ যুবকের।ঘটনাটিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য নদিয়ার চাকদহে।অগ্নিদগ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কল্যাণী জওহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তী প্রতিবাদী যুবক শান্তনু দাস(৩০)।ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত যুবক সৌমেন দেবনাথ।সূত্রের খবর,নদীয়ার চাকদহ পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের গৌর পাড়া ২ নম্বর রাধাকৃষ্ণ কলোনির বাসিন্দা পেশায় গ্যারেজ মেকানিক শান্তনু দাস।অভিযোগ,বুধবার সাড়ে ৮টা নাগাদ নাগাদ শান্তনুর বাড়ির পাশে মদ্যপানের আসর বসিয়ে ছিল সৌমেন ও তার কয়েকজন বন্ধু।অভিযোগ,এই ঘটনার প্রতিবাদ করে সৌমেন কে মদের আসর অন্যত্র সরিয়ে নিয়েযেতে বলে শান্তনু।আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়।অভিযোগ,বচসা ক্রমে হাতাহাতির জায়গায় পৌঁছালে সৌমেনের বন্ধুরা বিষয়টি মেটানোর চেষ্টা করে।তখনই সৌমেন পাশের একটি দোকান থেকে পেট্রোল নিয়ে এসে শান্তনুর গায়ে ছিটিয়ে দিয়ে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রাণে বাঁচতে পাশের একটি ডোবায় ঝাঁপ দিয়ে গায়ের আগুন নেভানোর চেষ্টা করে শান্তনু।পরে স্থানীয় মানুষজন ডোবার ভিতর থেকে শান্তনুকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তী করেন।এই ঘটনায় গৌরপাড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযুক্ত সৌমেন ও তার এক বন্ধুর বিরুদ্ধে চাকদহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শান্তনু দাসের বাবা জীবন কৃষ্ণ দাস।ঘটনার পর থেকেই পলাতক সৌমেন ও তার বন্ধুরা।তাদের সন্ধান শুরু করেছে চাকদহ থানার পুলিশ।
এবার মদ্যপের হাতে আক্রান্ত প্রতিবাদী যুবক।এবার বাড়ির পাশে মদ্যপানের আসর বসানোর প্রতিবাদ করায় প্রতিবাদীকে গায়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা এক মদ্যপ যুবকের।ঘটনাটিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য নদিয়ার চাকদহে।অগ্নিদগ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কল্যাণী জওহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তী প্রতিবাদী যুবক শান্তনু দাস(৩০)।ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত যুবক সৌমেন দেবনাথ।সূত্রের খবর,নদীয়ার চাকদহ পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের গৌর পাড়া ২ নম্বর রাধাকৃষ্ণ কলোনির বাসিন্দা পেশায় গ্যারেজ মেকানিক শান্তনু দাস।অভিযোগ,বুধবার সাড়ে ৮টা নাগাদ নাগাদ শান্তনুর বাড়ির পাশে মদ্যপানের আসর বসিয়ে ছিল সৌমেন ও তার কয়েকজন বন্ধু।অভিযোগ,এই ঘটনার প্রতিবাদ করে সৌমেন কে মদের আসর অন্যত্র সরিয়ে নিয়েযেতে বলে শান্তনু।আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়।অভিযোগ,বচসা ক্রমে হাতাহাতির জায়গায় পৌঁছালে সৌমেনের বন্ধুরা বিষয়টি মেটানোর চেষ্টা করে।তখনই সৌমেন পাশের একটি দোকান থেকে পেট্রোল নিয়ে এসে শান্তনুর গায়ে ছিটিয়ে দিয়ে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রাণে বাঁচতে পাশের একটি ডোবায় ঝাঁপ দিয়ে গায়ের আগুন নেভানোর চেষ্টা করে শান্তনু।পরে স্থানীয় মানুষজন ডোবার ভিতর থেকে শান্তনুকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তী করেন।এই ঘটনায় গৌরপাড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযুক্ত সৌমেন ও তার এক বন্ধুর বিরুদ্ধে চাকদহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শান্তনু দাসের বাবা জীবন কৃষ্ণ দাস।ঘটনার পর থেকেই পলাতক সৌমেন ও তার বন্ধুরা।তাদের সন্ধান শুরু করেছে চাকদহ থানার পুলিশ।

No comments:
Post a Comment