শনিবার ক্রোমা এলেন ইস্টবেঙ্গল প্র্যাকটিস সেশনে । শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বারাসাত স্টেডিয়ামে অনুশীলন সারলেন এই মরসুমেই মোহনবাগানে খেলে আসা মিডফিল্ডার ক্রোমা।যথেষ্ট ছটফটে দেখালো তাকে । খেলার শেষে টীম ম্যানেজমেন্টের হয়ে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য্য যদিও জানালেন , এদিন একপ্রস্থ দেখা হলেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে রবিবার তবুও থিংক ট্যাংক প্রথম একাদশে যে ক্রোমাকে রেখেই ভাবনাচিন্তা করছেন তা মনোরঞ্জনের বক্তব্যে পরিষ্কার ।আর আমনার চোট থাকায় আমনা যতদিন না মাঠে ফিরছেন সে জায়গা ভরাট করতেই ভাবা হচ্ছে ক্রোমাকে ।"আমনা মাঝমাঠ থেকে খেলা তৈরি করে ক্রোমাও তাই । দুজনেই খেলা তৈরির পাশাপাশি দুজনেই গোল করতে পারে ।" এই তুলনা থেকেই পরিস্কার খালিদ ও মনোরঞ্জন কি ভাবছেন । কারণ ক্রোমাকে ডেকে কথা বললেন খালিদ মনোরঞ্জন এবং এদিন উল্লেখযোগ্য ভাবে দফায় দফায় খালিদও মনোরঞ্জন মাঠে নিজেদের আলোচনা সারেন ।মনোরঞ্জন ফেরার পরে দুজনের মধ্যে এত নৈকট্য এই প্রথমবার চোখে পড়ল । এর একটি কারণ যে ক্রোমা তা সহজেই অনুমেয় ।কাটসুমি শুরুতে ক্রোমার সাথে বাক্যালাপ করতে দেখা যায় ।তবে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে খেলার শেষে এক কর্মকর্তাকে খালিদের সামনেই ক্রোমাকে একটি কাগজে সই করাতে দেখা গেল ।
ক্রোমাকে নিয়ে মনোরঞ্জনের উপলব্ধি ,ক্রোমা চেনা খেলোয়াড় ।মিনার্ভা ম্যাচে খেললে ক্রোমার টীমের সঙ্গে মানাতে অসুবিধে হবে না কারণ ক্রোমা মিডফিল্ড পজিশনে খেলে যা সেফ পজিশন । নতুন ডিফেন্ডার নিলে দুশ্চিন্তা কিছুটা থেকে যেত , অভিমত মনোরঞ্জনের । অর্থাত্ বার্তা পরিষ্কার মঙ্গলবার মিনার্ভা ম্যাচে বারাসাত স্টেডিয়ামে লাল হলুদ জার্সি গায়ে নামতে দেখা যেতে চলেছে ক্রোমাকে।
তবে খেলার শেষে আগামী তিরিশ তারিখ মিনার্ভা ম্যাচ প্রসঙ্গে খালিদ যেমন কিছু বলেন নি অন্যদিকে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য্য জানিয়ে দেন স্ট্র্যাটেজি প্রসঙ্গে যা সিদ্ধান্ত খালিদ নেবে ও তাঁর কোনো বক্তব্য থাকতে পারে না ।তবে টীম ম্যানেজমেন্ট যে মিনার্ভা দলে ভুটান থেকে আসা অন্যতম প্রধান অস্ত্র চেন চো নিয়ে ভাবছে তা বোঝা গেল মনোরঞ্জনের এদিনের শেষ কথায় , "অল্প সুযোগকেই কেউ কেউ কাজে লাগাতে পারে সেদিক থেকে চেনচো ভালো গেটার ।"
No comments:
Post a Comment