কলকাতা ডেস্ক, ৯ জানুয়ারি : হিংসা ও সন্ত্রাসের মুখ বীরভূমের অনুব্রত মণ্ডল। তিনি জুতো মেরে গরু দান করছেন। এভাবে প্রায়শ্চিত্ত হবে না। মঙ্গলবার চুঁচুড়ায় বিজেপির জনসভায় অনুব্রত মণ্ডলের পুরোহিত সন্মেলনকে কটাক্ষ করে তার নাম না করে একথাই বললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
এদিন ওই সভায় দিলীপ ঘোষ বলেন, দিদি হিজাব পড়েন নামাজ পড়েন বলে মুসলিমরা ভাবছেন দিদি তাঁদের নিজেদের লোক হয়ে গিয়েছেন। আসলে দিদি কারও লোক নন। তিনি নিজের কর্মীদেরও লোক নন। অন্যদিকে দিদি হিজাব নামাজ পড়েছেন বলে হিন্দুরা ক্ষেপে গিয়েছেন। তাই দিদি গঙ্গাসাগরে গিয়ে স্নান করে পুজো দিচ্ছেন। তিনি কঙ্কালি তলায় গিয়ে পুজো দিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করছেন। এদিন ব্রাহ্মণদের উদ্দেশে দিলীপ ঘোষ বলেন, যাঁরা বাংলায় রক্তগঙ্গা বইয়ে দিয়েছেন। তাঁদের মাথায় আশীর্বাদের হাত রাখবেন না। যতই আপনাদের গোদান করুক বা ভোজন করান। দিলীপ বাবু বলেন, এই ভাবে দিদি হিন্দুদের বোকা বানাচ্ছেন। এদিন বিজেপির ওই সভায় দিলীপ ঘোষ ছাড়াও হাজির ছিলেন মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ওবিসি মোর্চার রাজ্য সভাপতি স্বপন পাল, বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুবীর নাগ সহ বিজেপির এক ঝাঁক নেতা নেত্রীরা।
এ দিন চুঁচুড়ায় বিজেপির ওই জনসভায় মুকুল রায় তার বক্তব্যে বলেন, মানুষের মনে তৃণমূলকে নিয়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সে ক্ষোভে আগুন লাগাতে হবে। তৃণমূল এখন পিসি ও ভাইপো লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। এদিন মুকুল রায় বিশ্ব বাংলা নিয়ে ফের সরব হন। তিনি বলেন, বিশ্ব বাংলার লোগো ফ্রড। যেটা প্রমোট করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার সেটার কোনো অনুমোদন দেয়নি। ওই সভায় মুকুল রায় বলেন, কালিঘাটের ডিরেক্টরের কথায় হুগলির এক যুবনেতা প্রশাসন ও দল চালাচ্ছে। পাশাপাশি বলেন, বাঁশবেড়িয়া, ভদ্রেশ্বর ও চন্দননগর পুরসভার অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। যে কোনও এই পুরসভা গুলো পড়ে যেতে পারে। এদিন ওই জনসভায় মুকুল রায় দাবী করে বলেন, লোকসভা ভোটে তৃণমূল ২০ টা আসন অতিক্রম করতে পাড়বেনা।


No comments:
Post a Comment