প্রসঙ্গত ২০১৮ ক্যালেন্ডারে অভিশপ্ত দিন হয়ে থাকলো ২৯ জানুয়ারি । মুর্শিদাবাদের বাস দুর্ঘটনা চালকের এক ভুলে মারা গেল ৪১ জন যাত্রী । জীবিত যাত্রী দের বয়ান অনুজায়ী চালকের কানে ফোন হাতে স্টেয়ারিং থাকার জন্যই এতো বড়ো দুর্ঘটনা। পুলিশ ও প্রশাসনের সাহায্যে উদ্ধার হয় সমস্ত নিথর দেহ। পাশাপাশি সরকার ঘোষনা করেছে আর্থিক ক্ষতিপূরণ । কিন্তুুু বাড়ির লোক কি আর ফিরে আসবে।
এই প্রশ্ন নিয়ে মঙ্গলবার সকালে বাস যাত্রী থেকে চালক দের সাথে কথা বলি আমরা। যাত্রীরা জানান বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় চালক এক হাতে ফোন আর এক হাতে স্টেয়ারির জার ফলেই ঘটছে দুর্ঘটনা প্রান জাচ্ছে সাধারন মানুষের। কোন কোন সময় এক হাতে বিড়ি কিংবা সিগারেট । কেই আবার জানাচ্ছে চালক দের কাজের সময় নেশা এবং ফোন দুই নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিত। কারন সমস্ত মানুষের জীবন তাদের হাতে তারা না ঠিক হলে দুর্ঘটনা রোখা যাবে না । আবার কেই জানান সরকারের নিয়ম করে দেওয়া উচিত নইলে চালকরা শুধরাবেনা এবং আরো বড়ো দুর্ঘটনার কারন বলে উল্লেখ করেন ওভারটেক এবং লেট ফাইন বাঁচানোর জন্য অতিরিক্ত জোরে গাড়ি চালানোকে।
পাশাপাশি চালকদের সাথে কথা বললে তারা জানান গাড়ি চালানোর সময় একদম মোবাইল ফোন ব্যাবহার করা উচিত নয় এবং নেশা জাতীয় দ্রব্য নেওয়া উচিত নয় । ফোন আসলে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে কথা বলা উচিত।
পাশাপাশি যাত্রীরা জানান বাড়ি থেকে বেড়নোর পর বাস যাত্রা এখন আতঙ্ক হয়ে গেছে তাদের। এবং চালকদের গাড়ি চালানোর সময় ফোনে কথা বললে তারা প্রতিবাদ করবে বলে তারা জানান আমাদের। কারন তার ফোনের থেকে যাত্রী দের জীবনের অনেক দাম এমনটাই দাবী বাস যাত্রীদের।

No comments:
Post a Comment