নতুন বছরে মানবিক স্পন্দন গোয়ালতোড় এভার গ্রীন সোসাইটির - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 1 January 2018

নতুন বছরে মানবিক স্পন্দন গোয়ালতোড় এভার গ্রীন সোসাইটির

চাঁদনী,গোয়ালতোড়:   একেবারে ভুরি ভোজ । ভাত , ডাল , পস্তু  সঙ্গে মাংস মাছ পাঁপড় চাটনি আর শেষ পাতে নলেন গুড়ের রাজভোজ । এমনই সব আয়োজন করে গোয়ালতোড় এলাকার ৭০ জন দুঃস্থ ও অসহায় মানুষ দের নিয়ে আজ বনভোজনে মাতলেন গোয়ালতোড়ের স্থানীয় একটি ক্লাব ।
     ক্লাবের নাম এভারগ্রীন সোসাইটি । ক্লাবের নাম কে স্বার্থক করতে ক্লাবের সদস্যরা তৎপর । চিরসবুজ , চির যৌবনের দুত এরা । তাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম সামাজিক কাজ করতে দেখা গিয়েছে জঙ্গল মহলের পিছিয়ে পড়া একটি প্রত্যন্ত এলাকার এই ক্লাবের সদস্যদের ।
 প্রায় তিরিশ হাজার টাকা ব্যায় করে আয়োজন করা হয় আজকের এই বনভোজনের । তমালেশ্বরী নদীর তীরে মা তমালেশ্বরী মন্দিরের নিকটে কড়া মিঠা রোদে আজ ৭০ জন দুঃস্থ ও অসহায় মানুষ সঙ্গে ক্লাবের জনা তিরিশেক সদস্য আজ মাতলেন সকল কে নিয়ে বছরের প্রথম দিনে অানন্দে আর খুশীতে সঙ্গে পেট পুরে ভুরিভোজ । সে যেন এক রাজসিক ব্যাপার । আর ভুরি ভোজের শেষে ক্লাবের পক্ষ থেকে এই বনভোজনে যোগদান কারী দুঃস্থ দের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি করে শীতের চাদর ।
  গোয়ালতোড় পিছিয়ে পড়া এলাকা । তাই ক্লাবের অধিকাংশ সদস্যই চাষের উপর নির্ভরশীল । মনে সাধ থাকলেও সাধ্যের ঘাটতি দেখা দেয় এই সামাজিক কাজ কর্ম করতে গিয়ে । এই কারনে ক্লাবের সদস্যরা তৈরী করেছেন ক্যাটারার দল । এসডি ক্যাটারার । সদস্যরা নিজেরাই এই ক্যাটারারের সঙ্গে যুক্ত । আর তাতে যো রোজগার হয় তা তারা জমিয়ে রাখেন । সেই টাকা দিয়েই বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কাজ করে থাকেন । এর আগে গ্রীষ্মের প্রচন্দ দাবদাহে সাধারন পথচারীদের জল বিতরন বা ব্লু হোয়েল গেম নিয়ে যখন যুব সমাজ আসক্ত হয়ে পড়ে তখন এই মারন খেল নিয়ে সচেতনতা মুলক প্রচার ইত্যাদি । ক্লাবের অন্যতম কর্নধার ও এই বনভোজনের মুল দায়িত্বে থাকা ক্লাবের কোষাধ্যাক্ষ অরুপ মন্ডল জানান , " আমরা অনেকেই নানান জায়গায় ঘুরতে যায় , বন ভোজন করতে যায় , কিন্তু যারা অসহায় , দুঃস্থ বা অার্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়েছেন তারা তো কোথাও যেতেও পারেন না বা এই ধরনের অানন্দ অনুষ্ঠানে যোগ দান করতে পারে না । তাই আমরা আমাদের ক্লাবের পক্ষ থেকে এলাকার ৭০ জন দুস্থ মানুষ কে নিয়ে এই বনভোজনের আয়োজন করি এবং প্রত্যেকের হাতে একটি করে চাদর তুলে দেওয়া হয়ছে । আজ সত্যি নিজেকে খুব গর্বিত মনে করতে পারছি বছরের প্রথম দিনটা এদের সঙ্গে কাটাতে পেরে " ।
আর আপামর গোয়ালতোড় এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারাও জানান গোয়ালতোড় রাসতলা এভারগ্রীন সোসাইটির আজকের এই মহৎ প্রয়াস অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad