মহিষাদল: কফের সঙ্গে রক্ত পড়ছিল ৮০ বছরের বৃদ্ধের। চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন গ্রামীণ হাসপাতালে। আর সেখানে চিকিৎসক সিরাপের বদলে লোশন খেতে দিলেন রোগীকে। রোগীও গ্রামের অতি সাধারণ।ইংরেজি পড়তে পারেন না। সিরাপ ভেবে দিব্যি লোশনের ফাইল সাবাড় করে দেন তিনি। ঘটনা জানাজানি হয় দোকানে ওষুধের নতুন ফাইল কিনতে গিয়ে। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মহিষাদলের বাসুলিয়া এলাকায়। ঘটনায় বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালের বিএমওএইচ মোহনচন্দ্র ঘোড়াইয়ের বিরুদ্ধে উঠেছে এই ভুল চিকিৎসার অভিযোগ। এলাকার বাসিন্দা সুধীর সামন্ত(৮৫) গত ২৫ ডিসেম্বর গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বাড়ি আসার সময় হাসপাতালে তাঁকে কাশির সিরাপের জন্য বিএম ও এইচ প্রেসক্রাইব করেন সাল বুটেমল সিরাপ।কিন্তু রোগীর হাতে দেন কাটা ছেঁড়ার লোশন পভিডন আয়োডিন। সেই লোশন নিয়মিত খেতে বলা হয় সুধীর বাবুকে।ডাক্তারি নির্দেশ মেনে নিয়মিত সিরাপ ভেবে লোশন খেতে শুরু করেন তিনিও। ওষুধ ফুরিয়ে গেলে সুধীরবাবুর ছেলে নবকুমার সামন্ত স্থানীয় একটি দোকানে ফুরিয়ে যাওয়া লোশনের শিশি নিয়ে স্থানিয় একটি ওষুধের দোকানে যান। সেখানেই জানাজানি হয় ঘটনা। এরপর সোজা হাসপাতালে চলে আসেন ছেলে নব।কিন্তু নিজের ভুল অস্বীকার না করেই বিএম ও এইচ বলতে শুরু করেন কাশির জন্য পভিডন আয়োডিন খাওয়া হয়। যদিও এই লোশনের সঙ্গে কাশির কোনও সম্পর্কই নেই বলে স্পষ্টত দাবি করছেন অন্য চিকিৎসকরা।তবে নিজের ভুল না স্বীকার করলেও ওই রোগীর যাবতীয় চিকিৎসার দায় নিয়ে ঘটনায় বিতর্ক এড়িয়েছেন অভিযুক্ত ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক।
Post Top Ad
Tuesday, 9 January 2018
কাশি সারাতে কাটা-ছেঁড়ার লোশন দাওয়াই দিলেন খোদ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment