বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে হবিগঞ্জে দলের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধায় দুই পক্ষের মাঝে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ৩০ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় তিনজন আটক করে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের শায়েস্তানগরে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. ইলিয়াছ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এমদাদুল হক ইমরান, সিনিয়র সহ-সভাপতি জিল্লুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি অলিউর রহমান অলি, জেলা যুবদল নেতা বাদশা সিদ্দিকী, ছাত্রদল নেতা মহিবুর রহমান শাওন, যুবদল নেতা আবুল বাশার ইসা, হাজী মতিনসহ ৫০ নেতাকর্মী। আহতদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন- পৌরসভার স্টাফ ফারুক আহমেদ ও মজলিশপুর গ্রামের কাজল মিয়া নামের এক পথচারী, অজ্ঞাত আরেক জন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শহরের শায়েস্তানগরে দলীয় কার্যালয় থেকে বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ বাঁধা দেয়। এ সময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে বেশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করা হয়।
হবিগঞ্জ
হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেয়র জি কে গউছ ও সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক আহত হন। মিছিল বের করার সময় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ আলম মেয়র জি কে গউছকে ধরে টানা হেচড়া শুরু করেন।
এসময় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। খবর পেয়ে উপস্থিত হন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়তুন্নবী। তিনি গিয়ে মেয়র জি কে গউছকে ছেড়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জি কে গউছ জানান, দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ বাঁধা দিয়ে লাটিচার্জ গুলিছুড়ে এবং আমাকে বেয়াইনি ভাবে ধরে টানাহেচড়া করে।
হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি ইয়াছিনুল হক জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ৬৫ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়। বর্তমানে পরিস্তিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

No comments:
Post a Comment