সুতাহাটা: সুতাহাটায় এক নাবালিকে বিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহাবাস করে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিয়ে করতে অস্বীকার করে প্রেমিক। ঘটনার পর থেকে প্রেমিক গা ঢাকা দেয়। দীর্ঘদিন পরে সংবাদ মাধ্যমে খবর পরিবেশন হওয়ার পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে।
ছেলের খোঁজ পেতে গত ১৩ ই জানুয়ারি অভিযুক্তের বাবাকে গ্রেপ্তার করেছিল সুতাহাটা থানার পুলিশ।বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে কর্নাটক থেকেপুলিশ গ্রেপ্তার করে।।
অন্তঃসত্বা নাবালিকার স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর শোরগোল পড়েগেছে গোটা পূর্ব মেদিনীপুরে। প্রশাসনের পাশাপাশি নাবালিকার পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন স্বেচ্ছসেবী সংঠনও। চাপ বাড়তেই সুতাহাটা থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবক সিন্টু মন্ডলের বাবা বাচস্পতি মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিন্টুর সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। ১৭ বছরের ওই নাবালিকাকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করেছিল সিন্টু। গর্ভবতী হয়ে পড়ে নাবালিকা। ঘটনা জানাজানি হলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ের পাকা কথা হয়। কিন্তু, বিয়ের ঠিক আগের দিন সপরিবারে চম্পট দেয় সিন্টু। উপায় না পেয়ে পুলিশের নালিশ করেছিল নাবালিকার পরিবার। লাভ হয়নি, উল্টে খুনের হুমকি আসতে শুরু করে অভিযুক্ত আর তার পরিবারের থেকে। বর্তমানে ৯ মাসের অন্তঃসত্বা নাবালিকা। আর এই পরিস্থিতিতে নিজের এবং সন্তানের পরিণতির কথা ভেবেই প্রশাসনকে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানিয়েছিলেন নাবালিকা। আর সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে সংবাদমাধ্যমে। তারপরেই নাবালিকার সহায় হয় প্রশাসন। অভিযুক্তকে ধরার জন্য তার ছবি রাজ্য এবং ভিন রাজ্যের বিভিন্ন থানায় পাঠিয়ে দিয়েছে পুলিশ। আর সেই সূত্র ধরেই পুলিশ কর্নাটক থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে হলদিয়া মহকুমা আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে নির্যাতিতার পরিবার।সুতাহাটায় অন্তঃসত্ত্বা প্রেমিকাকে বিয়ে না করার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রেমিক সিন্টু মন্ডলের ৫ দিনের পুলিশি হেফাজত।

No comments:
Post a Comment