নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতবর্ষে হিট মহিলাদের মধ্যে প্রথম হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি একজন ব্যক্তি যিনি কেন্দ্রের সরকার নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে লড়ছেন। আর তাঁকে গ্রাস করতে চাইছেন ভারতীয় জনতা পার্টি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, তারা যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিরাপত্তা দিয়ে রাখেন তাহলে ভারতীয় জনতা পার্টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু করতে পারবেন না।
উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের হেমতাবাদের ঘটনার জের। মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলের নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডি জোনের নিরাপত্তা এবার আরও বাড়ানো হবে।এমনটাই জানালেন খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বারাসতে প্রশাসনিক বৈঠক ও যাত্রা উৎসবের অনুষ্ঠান থেকে আঁটোসাঁটো করা হচ্ছে নিরাপত্তা। সভাস্থলের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হবে। সিঁড়ি ও র্যাম্পে বাড়তি নজরদারি থাকবে। মঞ্চের দু’ধারে র্যম্প ও সিঁড়ির কাছে বাড়তি মহিলা ও পুরুষ নিরাপত্তা রক্ষী থাকবেন। বাড়ানো হতে পারে মেটাল ডিকেক্টরের সংখ্যাও।
শনিবার বিকালে মধ্যমগ্রামের কার্যালয় থেকে প্রশাসনিক বৈঠক এবং যাত্রা উতসবে অংশ নেওয়া দলের বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিদের জন্য নিরাপত্তা সংস্হার দেওয়া কার্ড বিতরণ করেন।এই কার্ড ছাড়া কেউই বৈঠক ও উতসবের মঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বারাসত হল সীমান্তবর্তী জেলার সদর শহর। এখানে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ঝুঁকি তারা নিতে চাইছেন না। নিরাপত্তা বলয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের পাশাপাশি দলের কর্মীরাও বলয়ের বাইরের নিরাপত্তা সামলাবেন।এদিন তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একমাত্র বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার তাই বিজেপি রাজনৈতিক ভাবে তাঁকে ক্রাশ করতে চাইছে।এমনিতে পারছে না বলে নানা ধরণের কৌশল নিচ্ছে।যদিও হেমতাবাদের মহিলা বিজেপির কিনা তা স্পষ্ট করেন নি খাদ্যমন্ত্রী।খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ওই দিন সাংবাদিকদের জন্যও থাকছে নিরাপত্তার কড়াকড়ি। পরিচয় পত্র এবং সরকারী ও নিরাপত্তার ছাড় পত্র ছাড়া কেউই অনুষ্ঠান কভার করতে পারবেন না।এই সিদ্ধান্ত নিরাপত্তারক্ষী, পুলিশ প্রশাসন আর দল এক সাথে আলোচনা করে নিয়েছে। এই পরিস্হিতিতে কোনও সংবাদ মাধ্যমের কর্মী যাতে হেনস্হা না হন সেদিকটি লক্ষ্য রাখা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী।
ডি জোন ও তারপরে দুটি বাঁশের ব্যারিকেডের উচ্চতা বাড়ানো হবে, যাতে কেউ টপকে ভিতরে ঢুকতে না পারে। ব্যারিকেডে দুটি বাঁশের মধ্যে ফাঁক কমানো হবে। যাতে কেউ গলে না ভিতরে চলে যেতে পারে। সেইসঙ্গে, তদন্তে দেখা গিয়েছে, এই সভার কোনও ভিডিও রেকর্ডিং করা হয়নি। একটা সময়ের পর সিসিটিভিও কাজ করেনি। ফলে সেদিনের ঘটনার ফুটেজ মিলছে না। পরের সভা থেকে এই দুই বিষয়ের উপর নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে র্যাম্পের সামনে দু’দিকে তিন জন করে থাকবেন।

No comments:
Post a Comment