স্নেহা চক্রবর্তী, বীরভূমঃ দালালের চক্রে পড়ে বিদেশে কাজ করতে গিয়ে আটক বীরভূমের অাবদুল হোসেন সহ এই রাজ্যের প্রায় ৪৫ জন যুবক। প্রায় একমাস বাড়ির সাথে কোনও যোগাযোগ না হওয়ায দুশ্চিন্তায় পরিবার। জানা গিয়েছে মেধাবী ছাত্র ছিলো বীরভূমের নলহাটি কয়থা গ্রামের ছেলে আবদুল হোসেন। বাবা চাষী মা বিড়ি বানিয়ে ছেলের পড়াশুনা চালিয়েছিলেন। অভাবের সংসারের হাল ধরতে চাকরির খোঁজাখুঁজি করে। দিল্লী বিমান বন্দরে রান্নার কাজ করতে করতে আরবে তেল উত্তোলনে কাজ করার খবর পায়। আরো বেশি আয়ের লোভ দেখিয়ে দালালের খপ্পরে পরে যান। সেই মত কয়েক লক্ষ টাকা দালালকে দিয়ে গত ৪ জানুয়ারি বোম্বাই হয়ে প্রথমে আরবে যায় সেখান থেকে আজারবাইযান যায়। কিণ্তু যে সত্বে কাজ করার কথা ছিলো সেই শর্ত মানা হয়নি বলে অভিযোগ আবদুল হোসেনের বলে দাবি পরিবারের। পরিবারের সাথে প্রায় এক মাস কোন যোগাযোগ নেই। যদিও তারা জানতে পারে আজারবাইজান রাজধানীর বাকু শহরের এক জেলে তাকে আটকে রেখেছে। শুধু বীরভূম নয় এই রাজ্যের ৪৫ জন সহ মোট ১৬০ জন যুবক এখানে বন্দী আছে বলে পরিবার জানতে পারে। এর পর পরিবারে দুশ্চিন্তায় ঘুম কেড়ে নিয়েছে। প্রত্যেক দিন রাতে ছেলের ফোনের আসায় বসে থাকে মা আনার বান বিবি। ইতি মধ্যে সংসারে টান পড়েছে। প্রায় এক মাস ছেলে কোন টাকা পাঠাতে পারেনি। ছেলে পথ চেয়ে মা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জেলা শাসক সহ স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তারা কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রীকেও জানাচ্ছেন। তাদের ছেলে সহ যারা বন্ধী আছে যত তাড়াতাড়ি মুক্তি সেই ব্যবস্থা করুক সরকার।
স্নেহা চক্রবর্তী, বীরভূমঃ দালালের চক্রে পড়ে বিদেশে কাজ করতে গিয়ে আটক বীরভূমের অাবদুল হোসেন সহ এই রাজ্যের প্রায় ৪৫ জন যুবক। প্রায় একমাস বাড়ির সাথে কোনও যোগাযোগ না হওয়ায দুশ্চিন্তায় পরিবার। জানা গিয়েছে মেধাবী ছাত্র ছিলো বীরভূমের নলহাটি কয়থা গ্রামের ছেলে আবদুল হোসেন। বাবা চাষী মা বিড়ি বানিয়ে ছেলের পড়াশুনা চালিয়েছিলেন। অভাবের সংসারের হাল ধরতে চাকরির খোঁজাখুঁজি করে। দিল্লী বিমান বন্দরে রান্নার কাজ করতে করতে আরবে তেল উত্তোলনে কাজ করার খবর পায়। আরো বেশি আয়ের লোভ দেখিয়ে দালালের খপ্পরে পরে যান। সেই মত কয়েক লক্ষ টাকা দালালকে দিয়ে গত ৪ জানুয়ারি বোম্বাই হয়ে প্রথমে আরবে যায় সেখান থেকে আজারবাইযান যায়। কিণ্তু যে সত্বে কাজ করার কথা ছিলো সেই শর্ত মানা হয়নি বলে অভিযোগ আবদুল হোসেনের বলে দাবি পরিবারের। পরিবারের সাথে প্রায় এক মাস কোন যোগাযোগ নেই। যদিও তারা জানতে পারে আজারবাইজান রাজধানীর বাকু শহরের এক জেলে তাকে আটকে রেখেছে। শুধু বীরভূম নয় এই রাজ্যের ৪৫ জন সহ মোট ১৬০ জন যুবক এখানে বন্দী আছে বলে পরিবার জানতে পারে। এর পর পরিবারে দুশ্চিন্তায় ঘুম কেড়ে নিয়েছে। প্রত্যেক দিন রাতে ছেলের ফোনের আসায় বসে থাকে মা আনার বান বিবি। ইতি মধ্যে সংসারে টান পড়েছে। প্রায় এক মাস ছেলে কোন টাকা পাঠাতে পারেনি। ছেলে পথ চেয়ে মা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জেলা শাসক সহ স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তারা কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রীকেও জানাচ্ছেন। তাদের ছেলে সহ যারা বন্ধী আছে যত তাড়াতাড়ি মুক্তি সেই ব্যবস্থা করুক সরকার।

No comments:
Post a Comment