স্নেহা চক্রবর্তী, বীরভূমঃ গর্ভে থাকা সন্তানকে পেটে রেখেই হাসপাতালের বেডে বসে পরিবারে ফেরার অপেক্ষা করছেন এক সন্তান সম্ভবা মা । আর এই সন্তান সম্ভবা মায়ের পালাকরে সেবাযন্ত করছেন হাসপাতালের নার্স ও অন্যান্য কর্মীরা । ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে । গত নয় ফেব্রুয়ারি রামপুরহাটের রেলপার এলাকায় এক তিরিশোর্ধ মহিলাকে অসুস্থ্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন এলাকাবাসীরা । রামপুরহাট থানার পুলিস সেদিনই ওই মহিলাকে উদ্ধার করে রামপুরহাট হাসপাতালে ভর্তি করে । সেদিন থেকেই তার ঠিকানা হয় ফিমেল ওয়ার্ডের ৩১৪ নম্বর বেড । চিকিৎসায় জানতে পারা যায় ওই মহিলা প্রায় সাত মাসের গর্ভবতী । সেই ঘটনার পর মেডিক্যাল বোর্ড বসিয়ে ওই মহিলার চিকিৎসা শুরু করেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ । হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে ওই মহিলা তার স্মৃতি শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন । দুদিন আগে সে কথা বলতে শুরু করেছেন । তার নাম বৈষ্ণবী । বাড়ি বিহারের সমসতীপুর ইমলি এলাকায় । তার বাবা ষ্টেশনমাস্টার । বাড়িতে তার বাবা , দাদা ও বৌদি রয়েছে । তিনি সেখান থেকে কিভাবে রামপুরহাটে এলেন সেটা বলতে পারছেন না । তবে তিনি বাড়ি ফিরতে চান । হাসপাতাল কতৃপক্ষ তাকে বাড়ি ফেরানোর জন্য সবরকম চেস্টা চালাচ্ছেন । তবে যতদিন না তার বাড়ির লোকজন তাকে নিতে না আসছেন , ততদিন সে হাসপাতালের বেডে বসেই তার গর্ভের সন্তানকে বড় করে চলেছেন ।
স্নেহা চক্রবর্তী, বীরভূমঃ গর্ভে থাকা সন্তানকে পেটে রেখেই হাসপাতালের বেডে বসে পরিবারে ফেরার অপেক্ষা করছেন এক সন্তান সম্ভবা মা । আর এই সন্তান সম্ভবা মায়ের পালাকরে সেবাযন্ত করছেন হাসপাতালের নার্স ও অন্যান্য কর্মীরা । ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে । গত নয় ফেব্রুয়ারি রামপুরহাটের রেলপার এলাকায় এক তিরিশোর্ধ মহিলাকে অসুস্থ্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন এলাকাবাসীরা । রামপুরহাট থানার পুলিস সেদিনই ওই মহিলাকে উদ্ধার করে রামপুরহাট হাসপাতালে ভর্তি করে । সেদিন থেকেই তার ঠিকানা হয় ফিমেল ওয়ার্ডের ৩১৪ নম্বর বেড । চিকিৎসায় জানতে পারা যায় ওই মহিলা প্রায় সাত মাসের গর্ভবতী । সেই ঘটনার পর মেডিক্যাল বোর্ড বসিয়ে ওই মহিলার চিকিৎসা শুরু করেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ । হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে ওই মহিলা তার স্মৃতি শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন । দুদিন আগে সে কথা বলতে শুরু করেছেন । তার নাম বৈষ্ণবী । বাড়ি বিহারের সমসতীপুর ইমলি এলাকায় । তার বাবা ষ্টেশনমাস্টার । বাড়িতে তার বাবা , দাদা ও বৌদি রয়েছে । তিনি সেখান থেকে কিভাবে রামপুরহাটে এলেন সেটা বলতে পারছেন না । তবে তিনি বাড়ি ফিরতে চান । হাসপাতাল কতৃপক্ষ তাকে বাড়ি ফেরানোর জন্য সবরকম চেস্টা চালাচ্ছেন । তবে যতদিন না তার বাড়ির লোকজন তাকে নিতে না আসছেন , ততদিন সে হাসপাতালের বেডে বসেই তার গর্ভের সন্তানকে বড় করে চলেছেন ।

No comments:
Post a Comment