নথি জাল করে ব্যাঙ্ক থেকে দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে সিআইডি গ্রেপ্তার করল এক প্রতারককে। নন্দীগ্রাম এলাকা থেকে বুধবার রাতে গোয়েন্দাদের একটি দল সঞ্জয় বেরা নামের ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। হাওড়ার বাগনান থানার বীরকুলের বাসিন্দা এই সঞ্জয়ই এই প্রতারণা-কাণ্ডের মূল পান্ডা। এর আগে সিআইডির জালে ধরা পড়েছিল আরও ১০ অভিযুক্ত। কিন্তু ৪ বছর ধরে আত্মগোপন করে ছিল সঞ্জয়। গোপন খবর অনুযায়ী এদিন হানা দিয়েই সিআইডি ধরে ফেলে তাকে। বৃহস্পতিবার হলদিয়া আদালত ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। এরপরে বিকেলে ধৃতকে নিয়ে ভবানীভবন রওনা হয়ে যান গোয়েন্দারা। ২০১৩ সালে কন্টাই -কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নন্দীগ্রাম শাখায় এই জালিয়াতির ঘটনাটি ঘটে৷নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নন্দীগ্রাম শাখার ম্যানেজার৷ ধৃত সঞ্জয় বেরা ও তার আটজন সহযোগী কনটাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের সদস্য হওয়ার সুবাদে ১২টি গাড়ি কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকার ঋণ নেয়৷ গোয়েন্দাদের এক কর্তা জানান, গাড়ি কেনার ঋণের জন্য একটি নামী গাড়ির দোকানের কাগজপত্র জাল করা হয়েছিল। সেই জাল কাগজে দেখানো হয়,গাড়ির দামের একটি অংশ ব্যাঙ্কে জমা দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য দেখিয়েই ব্যাঙ্কের কাছ থেকে বাকি টাকা আদায় করা হয়েছিল। ব্যাঙ্ক সেই টাকা দেওয়ার পরে ওই গাড়ির দোকানের নামে একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্টে তা জমা দেওয়া হত। এদিকে পদ্ধতি মতো ঋণ শোধের কোনও উদ্যোগ না দেখে নথি খতিয়ে দেখা শুরু করে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। ঘটনাচক্রে, সামনে আসে ভুয়ো নথির বিষয়টি। নড়েচড়ে বসে ব্যাঙ্ক। প্রথমে পুলিস, পরে ঘটনার তদন্তভার সিআইডিকে দিয়েছিল ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।ইতিপূর্বে ৬৮ লক্ষ টাকা প্রতারকদের থেকে উদ্ধার করেছে সিআইডি।ধৃতকে শনিবার তমলুক থেকে রিমাইন্ডে নিল সিআইডি।
নথি জাল করে ব্যাঙ্ক থেকে দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে সিআইডি গ্রেপ্তার করল এক প্রতারককে। নন্দীগ্রাম এলাকা থেকে বুধবার রাতে গোয়েন্দাদের একটি দল সঞ্জয় বেরা নামের ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। হাওড়ার বাগনান থানার বীরকুলের বাসিন্দা এই সঞ্জয়ই এই প্রতারণা-কাণ্ডের মূল পান্ডা। এর আগে সিআইডির জালে ধরা পড়েছিল আরও ১০ অভিযুক্ত। কিন্তু ৪ বছর ধরে আত্মগোপন করে ছিল সঞ্জয়। গোপন খবর অনুযায়ী এদিন হানা দিয়েই সিআইডি ধরে ফেলে তাকে। বৃহস্পতিবার হলদিয়া আদালত ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। এরপরে বিকেলে ধৃতকে নিয়ে ভবানীভবন রওনা হয়ে যান গোয়েন্দারা। ২০১৩ সালে কন্টাই -কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নন্দীগ্রাম শাখায় এই জালিয়াতির ঘটনাটি ঘটে৷নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নন্দীগ্রাম শাখার ম্যানেজার৷ ধৃত সঞ্জয় বেরা ও তার আটজন সহযোগী কনটাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের সদস্য হওয়ার সুবাদে ১২টি গাড়ি কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকার ঋণ নেয়৷ গোয়েন্দাদের এক কর্তা জানান, গাড়ি কেনার ঋণের জন্য একটি নামী গাড়ির দোকানের কাগজপত্র জাল করা হয়েছিল। সেই জাল কাগজে দেখানো হয়,গাড়ির দামের একটি অংশ ব্যাঙ্কে জমা দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য দেখিয়েই ব্যাঙ্কের কাছ থেকে বাকি টাকা আদায় করা হয়েছিল। ব্যাঙ্ক সেই টাকা দেওয়ার পরে ওই গাড়ির দোকানের নামে একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্টে তা জমা দেওয়া হত। এদিকে পদ্ধতি মতো ঋণ শোধের কোনও উদ্যোগ না দেখে নথি খতিয়ে দেখা শুরু করে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। ঘটনাচক্রে, সামনে আসে ভুয়ো নথির বিষয়টি। নড়েচড়ে বসে ব্যাঙ্ক। প্রথমে পুলিস, পরে ঘটনার তদন্তভার সিআইডিকে দিয়েছিল ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।ইতিপূর্বে ৬৮ লক্ষ টাকা প্রতারকদের থেকে উদ্ধার করেছে সিআইডি।ধৃতকে শনিবার তমলুক থেকে রিমাইন্ডে নিল সিআইডি।

No comments:
Post a Comment