মৃন্ময় নস্কর: শনিবার রাতে মোবাইল দোকানে কাজ সেড়ে টোটোয় চেপে বাড়ি আসার পথে টোটো থেকে বছর ২৩ এর কলেজ ছাত্রীকে জোর করে নামিয়ে বোলেরো গাড়ি করে চম্পট দেয় ছাত্রীর প্রেমিক সহ তার সঙ্গীরা , আর এই অপহরণের ১৩ ঘণ্টার মধ্যেই রবিবার সকালে সোনারপুরের তে মাথা থেকে ওই কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধার করলো সোনারপুর থানার পুলিশ । অধরা অভিযুক্ত প্রেমিক প্রসেন রঙ ,পুলিশ তার খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে , যে কোন মুহূর্তে গ্রেপ্তার হবে মুল অভিযুক্ত প্রেমিক এমন জানিয়েছে পুলিশ । পুলিশ অভিযুক্ত প্রেমিক প্রসেন রঙের দুই দাদা রাজীব রঙ ও দীপক রঙকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে । এদিকে কলেজ ছাত্রীকে রবিবার সকালে সোনারপুর থানায় নিয়ে আসার পর তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে সোনারপুর থানার আধিকারিকরা ,পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ডি এস পি ক্রাইম ত্রিদিব সরকার ,ছাত্রীর গোপন জবান বন্দি নেওয়া হয় । সোনারপুরের ৯ নাম্বার ওয়ার্ড কামরা বাদ ভৌমিক পার্কে বাড়ি কলেজ ছাত্রি বছর ২৩ এর সহেলি পালের , আশুতোষ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রি সে , তার বাবার স্ত্রানিয় কাপড়ের দোকানে কাজ করে , সহেলি পাল তাদের একমাত্র মেয়ে । তার মা সোমা পাল জানায় ,মেয়ে এক মাস ধরে বারুইপুরের এক মোবাইল দোকানে কাজ করছে পড়াশোনার পাশাপাশি , শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ কাজ থেকে ফিরে কামরা বাদ রেল গেট হয়ে টোটো চেপে বাড়ির দিকে ফিরছিল ,ও টোটোর বাঁদিকে ছিল ,আরও ২ -৩ জন যাত্রী ছিল । মন্দির তলার কাছে এক বোলেরো গাড়ি তাদের টোটোকে ওভার টেক করে এসে টোটোর সামনে পথ আটকে দাড়িয়ে টোটো চালককে ভয় দেখিয়ে বোলেরো গাড়ি থেকে নেমে প্রেমিক প্রসেন ও তার দুই সঙ্গি জোর করে মেয়ের হাত ধরে মুখ চেপে ধরে খুরি গাছির দিকে চম্পট দেয় । পুলিশ জানায় ,রবিবার সকালে এক ভ্যানে করে মেয়েটিকে এনে সোনার পুর তেমাথায় ছেড়ে দেওয়া হয় ,পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে । পুলিশ জানিয়েছে ,ওই ছাত্রীর সাথে অভিযুক্তর ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ,অভিযুক্ত মাছের কারবার করতো , ছাত্রি কলেজে পড়তে পড়তে খুরি গাছি মালি বাগানের বাসিন্দা অভিযুক্ত প্রসেনের সাথে আলাপ থেকে প্রেম হয় । অভিযুক্ত জোর করে ছাত্রি কে বিয়ে করতে চাইছিল ,কিন্তু ছাত্রি তার সাথে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিল , ইদানিং অভিযুক্তর চাল চলন পছন্দ ছিল না ছাত্রির , এমনকি অভিযুক্ত ভাল বাসে বলে তার সাথে ছাত্রি দেখা করছে না বলে সে নিজে ২ -৩ দিন আগে ছাত্রীর বাড়িতে চড়াও হয়ে তাদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল এমন অভিযোগ করেছে ছাত্রীর পরিবার , অভিযুক্ত প্রসেন যে বিভিন্ন কেসে যুক্ত জানতে পেরে ছাত্রির পরিবার ও চাইছিল না তার সাথে মেয়ে সম্পর্ক রাখুক ,এমনকি ছাত্রীটি তার প্রেমিক কে বারণ করেছিল ।অভিযুক্তর নামে বাইক ছিনতাই থেকে অস্ত্র আইনে ভাঙ্গড় থানায় ও সোনারপুর থানায় অভিযোগ আছে । বিয়ের জন্য শনিবার রাতে মন্দিরও বাছা হয়ে গিয়েছিল অভিযুক্তর ,জোর করে বিয়ে করার জন্যই এই অপহরণ ,কিন্তু ছাত্রি বিয়ে করতে চাইছিল না ।বিয়ের জন্য ছাত্রির কাছে রাতে অনেক অনু রোধ করেছিল অভিযুক্ত । শনিবার রাতে ছাত্রীকে বোলেরো গাড়িতে প্রসেন তোলার সময় গাড়ির স্পীড এত বাড়িয়েছিল যে পথে কুকুর কে মেরে দিয়েছিল ,তাদের গাড়ি গঙ্গা জয়ারা হয়ে বাই পাস ধরে মুকুন্দপুরের দিকে চলে যায় ,সেখানে এক ভেড়ির পাশে গ্রামের বাড়িতে ছাত্রিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল । গাড়িতে ওঠার পর ছাত্রির মুখ নিচে করে দিয়ে হাত বেঁধে দিয়েছিল অভিযুক্ত ।পুলিশ জানায় ,রাতে অভিযুক্ত ছাত্রীকে কোনও মারধোর ও নির্যাতন করেনি ছাত্রীটিকে।
মৃন্ময় নস্কর: শনিবার রাতে মোবাইল দোকানে কাজ সেড়ে টোটোয় চেপে বাড়ি আসার পথে টোটো থেকে বছর ২৩ এর কলেজ ছাত্রীকে জোর করে নামিয়ে বোলেরো গাড়ি করে চম্পট দেয় ছাত্রীর প্রেমিক সহ তার সঙ্গীরা , আর এই অপহরণের ১৩ ঘণ্টার মধ্যেই রবিবার সকালে সোনারপুরের তে মাথা থেকে ওই কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধার করলো সোনারপুর থানার পুলিশ । অধরা অভিযুক্ত প্রেমিক প্রসেন রঙ ,পুলিশ তার খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে , যে কোন মুহূর্তে গ্রেপ্তার হবে মুল অভিযুক্ত প্রেমিক এমন জানিয়েছে পুলিশ । পুলিশ অভিযুক্ত প্রেমিক প্রসেন রঙের দুই দাদা রাজীব রঙ ও দীপক রঙকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে । এদিকে কলেজ ছাত্রীকে রবিবার সকালে সোনারপুর থানায় নিয়ে আসার পর তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে সোনারপুর থানার আধিকারিকরা ,পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ডি এস পি ক্রাইম ত্রিদিব সরকার ,ছাত্রীর গোপন জবান বন্দি নেওয়া হয় । সোনারপুরের ৯ নাম্বার ওয়ার্ড কামরা বাদ ভৌমিক পার্কে বাড়ি কলেজ ছাত্রি বছর ২৩ এর সহেলি পালের , আশুতোষ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রি সে , তার বাবার স্ত্রানিয় কাপড়ের দোকানে কাজ করে , সহেলি পাল তাদের একমাত্র মেয়ে । তার মা সোমা পাল জানায় ,মেয়ে এক মাস ধরে বারুইপুরের এক মোবাইল দোকানে কাজ করছে পড়াশোনার পাশাপাশি , শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ কাজ থেকে ফিরে কামরা বাদ রেল গেট হয়ে টোটো চেপে বাড়ির দিকে ফিরছিল ,ও টোটোর বাঁদিকে ছিল ,আরও ২ -৩ জন যাত্রী ছিল । মন্দির তলার কাছে এক বোলেরো গাড়ি তাদের টোটোকে ওভার টেক করে এসে টোটোর সামনে পথ আটকে দাড়িয়ে টোটো চালককে ভয় দেখিয়ে বোলেরো গাড়ি থেকে নেমে প্রেমিক প্রসেন ও তার দুই সঙ্গি জোর করে মেয়ের হাত ধরে মুখ চেপে ধরে খুরি গাছির দিকে চম্পট দেয় । পুলিশ জানায় ,রবিবার সকালে এক ভ্যানে করে মেয়েটিকে এনে সোনার পুর তেমাথায় ছেড়ে দেওয়া হয় ,পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে । পুলিশ জানিয়েছে ,ওই ছাত্রীর সাথে অভিযুক্তর ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ,অভিযুক্ত মাছের কারবার করতো , ছাত্রি কলেজে পড়তে পড়তে খুরি গাছি মালি বাগানের বাসিন্দা অভিযুক্ত প্রসেনের সাথে আলাপ থেকে প্রেম হয় । অভিযুক্ত জোর করে ছাত্রি কে বিয়ে করতে চাইছিল ,কিন্তু ছাত্রি তার সাথে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিল , ইদানিং অভিযুক্তর চাল চলন পছন্দ ছিল না ছাত্রির , এমনকি অভিযুক্ত ভাল বাসে বলে তার সাথে ছাত্রি দেখা করছে না বলে সে নিজে ২ -৩ দিন আগে ছাত্রীর বাড়িতে চড়াও হয়ে তাদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল এমন অভিযোগ করেছে ছাত্রীর পরিবার , অভিযুক্ত প্রসেন যে বিভিন্ন কেসে যুক্ত জানতে পেরে ছাত্রির পরিবার ও চাইছিল না তার সাথে মেয়ে সম্পর্ক রাখুক ,এমনকি ছাত্রীটি তার প্রেমিক কে বারণ করেছিল ।অভিযুক্তর নামে বাইক ছিনতাই থেকে অস্ত্র আইনে ভাঙ্গড় থানায় ও সোনারপুর থানায় অভিযোগ আছে । বিয়ের জন্য শনিবার রাতে মন্দিরও বাছা হয়ে গিয়েছিল অভিযুক্তর ,জোর করে বিয়ে করার জন্যই এই অপহরণ ,কিন্তু ছাত্রি বিয়ে করতে চাইছিল না ।বিয়ের জন্য ছাত্রির কাছে রাতে অনেক অনু রোধ করেছিল অভিযুক্ত । শনিবার রাতে ছাত্রীকে বোলেরো গাড়িতে প্রসেন তোলার সময় গাড়ির স্পীড এত বাড়িয়েছিল যে পথে কুকুর কে মেরে দিয়েছিল ,তাদের গাড়ি গঙ্গা জয়ারা হয়ে বাই পাস ধরে মুকুন্দপুরের দিকে চলে যায় ,সেখানে এক ভেড়ির পাশে গ্রামের বাড়িতে ছাত্রিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল । গাড়িতে ওঠার পর ছাত্রির মুখ নিচে করে দিয়ে হাত বেঁধে দিয়েছিল অভিযুক্ত ।পুলিশ জানায় ,রাতে অভিযুক্ত ছাত্রীকে কোনও মারধোর ও নির্যাতন করেনি ছাত্রীটিকে।

No comments:
Post a Comment