মৃন্ময় নস্কর: ঠিকাদারের গাড়ি থামিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার বিধাননগর কমিশনারেটের কনস্টেবল সহ তিন সাগরেদ। সোনারপুর থানার কামালগাজি বাইপাসের বেলেরচাঁদনির ঘটনা। জানা গিয়েছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতের সেই ঘটনায় শনিবার রাতে বারুইপুর এবং সোনারপুর থেকে ৪ জনকে ধরেছে পুলিশ । ধৃত সোমনাথ দাস বিধাননগর কমিশানারেটের লাইন ওয়ার বিভাগে কর্মরত। ঠিকাদারের গাড়িতে ২০ লক্ষ টাকা আছে। এই খবরে রাস্তায় তাঁর গাড়ি থামিয়ে ওই টাকা ছিনতাই করার জন্য বন্ধুদের নিয়ে ঠিকাদারের গাড়ি তল্লাসি চালানো,মারধর করা এবং মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার পুলিস কর্মী। রবিবার ধৃতদের ছিনতাই ও মারধরের অভিযোগে বারুইপুর আদালতে পাঠিয়েছে পুলিস। এই ঘটনায় রবিবার সোনারপুরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিস সূত্রে জানা গেছে, কৈখালির বাসিন্দা অনিল শর্মা চার চাকার গাড়ি নিয়ে বারুইপুরে চ্যাটার্ড এ্যাকাউন্টের বাড়িতে আসছিলেন। সেই সময় বাইপাসের বেলের চাঁদনিতে ওই গাড়ি থামায় সোমনাথ। পুলিস পরিচয় দিয়ে ঠিকাদার ও তাঁর ভাইপোকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করে। সঙ্গীদের ধরে রাখতে বলে। নিজে ঠিকাদেরের ওই গাড়িতে রাখা টাকার তল্লাসি চালায়। কিন্তু ঠিকাদার গাড়ির সিটের নীচে টাকা লুকিয়ে রাখেন। ফলে ওই কনস্টেবল টাকার হদিস পায় নি। ঠিকাদার অনিল শর্মার অভিযোগ, টাকা না পেয়ে তাঁকে মারধর করে টাকা কোথায় আছে জানতে চান ওই পুলিস কর্মী। তিনি টাকা নেই বলাতে তাঁর দুটি দামী মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি সোনারপুর থানায় অভিযোগ জানান। পুলিস তদন্তে নেমে সোমনাথ ও তার সঙ্গীদের খোঁজ পায়। পুলিস জানায়, ধৃত পুলিস কর্মীর বাড়ি বারুইপুরের পুরন্দরপুর এলাকায়। তার সঙ্গীদের মধ্যে রয়েছে আমির আলি হোসেন, উজ্বল চক্রবর্তী, সিরাজ আলি মণ্ডল। আমির এর আগে অসামাজিক কাজে পুলিসের হাতে ধরা পড়েছিল। বাকি দুজন এলাকায় জমির কারবার করে।
পুলিস সূত্রে জানা গেছে, কৈখালির বাসিন্দা অনিল শর্মা চার চাকার গাড়ি নিয়ে বারুইপুরে চ্যাটার্ড এ্যাকাউন্টের বাড়িতে আসছিলেন। সেই সময় বাইপাসের বেলের চাঁদনিতে ওই গাড়ি থামায় সোমনাথ। পুলিস পরিচয় দিয়ে ঠিকাদার ও তাঁর ভাইপোকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করে। সঙ্গীদের ধরে রাখতে বলে। নিজে ঠিকাদেরের ওই গাড়িতে রাখা টাকার তল্লাসি চালায়। কিন্তু ঠিকাদার গাড়ির সিটের নীচে টাকা লুকিয়ে রাখেন। ফলে ওই কনস্টেবল টাকার হদিস পায় নি। ঠিকাদার অনিল শর্মার অভিযোগ, টাকা না পেয়ে তাঁকে মারধর করে টাকা কোথায় আছে জানতে চান ওই পুলিস কর্মী। তিনি টাকা নেই বলাতে তাঁর দুটি দামী মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি সোনারপুর থানায় অভিযোগ জানান। পুলিস তদন্তে নেমে সোমনাথ ও তার সঙ্গীদের খোঁজ পায়। পুলিস জানায়, ধৃত পুলিস কর্মীর বাড়ি বারুইপুরের পুরন্দরপুর এলাকায়। তার সঙ্গীদের মধ্যে রয়েছে আমির আলি হোসেন, উজ্বল চক্রবর্তী, সিরাজ আলি মণ্ডল। আমির এর আগে অসামাজিক কাজে পুলিসের হাতে ধরা পড়েছিল। বাকি দুজন এলাকায় জমির কারবার করে।


No comments:
Post a Comment