কল্যাণ চক্রবর্তী।
নানান সামগ্রীর মেলার নাম আমরা শুনেছি। কেউ শুনেছেন শাঁকালুর মেলার কথা? হ্যাঁ, বর্ধমানের সদরঘাটে ফি বছর বসে এই মেলা। তাতে কুইন্টাল কুইন্টাল শাঁকালু বিক্রি হয়। আর প্রত্যেকেরই মুখে শাঁকালুর কন্দ।
জানা যায়, ধনেখালির সৈয়দ শাহ গোলাম আলি কেরমানির মাজারের কাছেও বসে ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন মেলা, আর তাতে নানান কিসিমের পণ্য থাকলেও বিকোয় ব্যাপক পরিমাণ শাঁকালু। বলা যায় এটাও একটি শাঁকালু মেলা।
(তথ্যসূত্র: News 18 Bangla এবং archives.anandabazar.com)
শাঁকালু হচ্ছে একটি কন্দ ফসল। ইংরাজিতে এর নাম ইয়াম বীন বা পটেটো বীন বা মেক্সিকান টারনিপ; স্প্যানিশে জিকামা, হিন্দিতে মিসরিকন্দ বা কেসারু; অসম-ওড়িশায় শঙ্খেশ আলু; ল্যাটিন নাম প্যাকাইরাইজাস ইরোসাস। শাঁকালু শিম্বগোত্রীয় লতানো বীরুৎ শ্রেণির ফসল। মেক্সিকো এবং মধ্য আমেরিকা এই উদ্ভিদের আদি বাসভূমি।
ভারতে শাঁকালু চাষে অগ্রগণ্য রাজ্য বিহার। এখন তার অর্থকরী চাষ পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অসমে সম্প্রসারিত হয়েছে। অনুর্বর, অসেচ এলসকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ভূ-খন্ডে শাঁকালু চাষ করা যায়। পুষ্টিমূল্যের নিরিখে এটি একটি অনবদ্য ফসল। শাঁকালুকে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় এবং অন্য ফসলের সঙ্গে লাভজনকভাবে চাষ করা যায়।


No comments:
Post a Comment