পঁচিশ বছর পর ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড গৈরিক শিবিরের দখলে।এই খুশিতে বিজেপির একের পর এক তাবড় নেতারা গেরুয়া আবিরের হোলি খেলছেন। বেজায় খুশিতে পশ্চিমবঙ্গের দাপুটে নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ত্রিপুরা নির্বাচনের বিপুল সাফল্যই ফের এক বার সেটাই প্রমান করল। এবার পাখির চোখ পশ্চিমবঙ্গ। বাংলায় পদ্ম ফোঁটার পালা। ত্রিপুরায় বিজেপি ব্যপক সাফল্য পেলে বাংলায় সম্ভব নয় কেন? এই প্রশ্নই এখন লাখ লাখ বিজেপির নেতা কর্মীদের মধ্যে ঘুর পাক খাচ্ছে।
শনিবার একান্ত সাক্ষাৎকার বিজেপির তারকা রাজ্যনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা প্রত্যাশিতই ছিল। অমিত শাহ ও মোদীজির নেতৃত্বে বিপ্লব হবে এবং সুনীল দেওধর থেকে শুরু করে ত্রিপুরার প্রত্যেকটা বিজেপি কর্মীর সংঘবন্ধ ফসল হল ত্রিপুরায় বিজেপির জয়লাভ। এবার পালা বাংলার। সালটা তখন ২০১৭ ২১জুলাই। ওই দিন ত্রিপুরাতে সর্বভারতীয় যুব সন্মেলন হয়েছিল। ওই সন্মেলনে পুনম মহাজনজীর আসার কথা ছিল। কিন্তু তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেই সময়ে আমি ওই সন্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে ত্রিপুরায় উড়ে যাই। সেই সময়ে আমি দেখে এসেছিলাম বিপ্লব দেব এবং সুনীল দেওধরের নেতৃত্বে প্রত্যেকটা কর্মী সিপিএমকে সরিয়ে বিজেপিকে প্রতিষ্ঠা করতে যান প্রান দিয়ে লড়াই করছে। তখনই আমি বলেছিলাম এবার ত্রিপুরায় সিপিএমের ক্ষমতা নেই বিজেপিকে আটকায়। পাশাপাশি শেষ ১০টা সভাতেও আমি বলেছিলাম আমাদের ২০তম রাজ্য হিসেবে ত্রিপুরা আসছে। এদিন আমার কথা ফলে গিয়েছে। এই ঘটনায় আমি ভীষন খুশি। তবে তিনি জানিয়েছেন, বাংলায় পদ্মফুল ফুটলে আমি সব থেকে বেশি খুশি হব। ত্রিপুরায় বিজেপির বিপুল সাফল্য জয় বন্দ্যোপাধ্যায় ভীষণ ভাবে উজ্জীবিত করেছে। এদিন তিনি বলেন, চলতি মাসের ৪, ৫ ও ৬ তারিখ জঙ্গল মহলে বিজেপির কার্যক্রমে তিনি অংশ গ্রহন করে বিজেপির সাফল্যের কথা কর্মীদের মধ্যে প্রচার করবেন।
বিজেপির পাখির চোখ এবার পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা,ওড়িশা। বাকি ২০টি রাজ্য বিজেপির কব্জায় এ প্রসঙ্গে বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ বলেন,যতদিন না বাকি তিনটি রাজ্যে বিজেপি জিততে পারবে ততদিন বিজেপির স্বর্ণযুগ বিস্তারিত হবে না।

No comments:
Post a Comment