কয়েক মাস আগেই দার্জিলিঙের শান্তি নষ্ট করতে সিকিম সরকার মদত দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নানা কারণে তিক্ততা বেড়েছিল দু'রাজ্যের মধ্যে। পাহাড় আন্দোলনের সময় পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছিল সিকিমের শাসকদল এসডিএফ। সেখানকার বিধানসভায় এর পক্ষে প্রস্তাবও পাশ করা হয়। এর প্রতিবাদ জানায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বলা হয়, প্রতিবেশী রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে এভাবে প্রস্তাব পাশ করাটা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিরোধী। এরপর থেকে চলতে থাকে অভিযোগ, পালটা অভিযোগের পালা। বিমল গুরুংকে পালাতে সাহায্য করার অভিযোগও তোলা হয় সিকিমের পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ সেখানে অভিযানে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।
এরপরই এরাজ্যে সিকিমের গাড়ি চলাচল নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বাতিল করা হয় পুরোনো চুক্তি। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, তাদের কোনওরকম বাড়তি সুবিধা দেওয়া হবে না।
এই অবস্থায় সিকিম সরকার আলোচনার প্রস্তাব দেয় বলে সূত্রের খবর। আর তাতে সায় দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর আজ পবন চামলিঙের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে বুধবার জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দার্জিলিঙে বিনিয়োগ করার জন্য সিকিমের ব্যবসায়ীদের কাছে আবেদনও জানান তিনি।

No comments:
Post a Comment