পাশবিক অত্যাচারের শিকার হল এক গৃহবধু। দীর্ঘদিন ধরে বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্যে মারধর করত স্বামী, টাকা না আনায়ে স্ত্রীকে মেরে গলায়ে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে এমনটাই অভিযোগ মৃতের বাড়ির লোকের।
স্থানীয় সুত্রে খবর ২০০৯ সালে ২৪ শে জুলাই ফলতার চালুয়াড়ীর মেয়ে রুপা মন্ডল (২৮)র সাথে ফলতার মহাদেবপুরের বিমল মন্ডলের(৩৫)সাথে বিয়ে হয় চার বছরের একমাত্র কথা মন্ডল বলে একটি কন্যা সন্তান আছে। কয়েকবছর ধরে টাকা নিয়ে স্বামী স্ত্রী মধ্যে প্রায়শই ঝামেলা হত। প্রতিদিনের মত গত কয়েকদিন ধরে ঝামেলা হচ্ছিল। গতকাল মেয়ের বাড়ির লোক সন্ধ্যে ৭.৩০ নাগাদ জানতে পারে যে তাদের মেয়ে মারা যায়, সেইমত তারা রুপা মন্ডলের শশুর বাড়িতে গিয়ে দেখে যে মেয়ের মৃতদেহ বাড়ির দরজার সামনে পড়ে আছে, বড় দাদা তাপস মন্ডল গিয়ে দেখে গলায়ে কালো দাগ, ও পিঠের পিছনে মারার দাগ আছে। এমতবস্থায়ে তারা ফলতা থানায়ে খুনের অভিযোগ করে। পরে ঘটনাস্তলে গিয়ে ফলতা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃত রুপা মন্ডলের বড় দাদা তাপস মন্ডল ফলতা থানায়ে গতকাল রাতে ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি খুনের অভিযোগ করেন।
এই ঘটনায়ে স্বামী বিমল মন্ডল ও মেজ দেওর অমল মন্ডল পলাতক। শ্বশুর, শাশুড়ি ও আরেক দেওর কমল মন্ডল পলাতক।

No comments:
Post a Comment