স্নেহা চক্রবর্তী, বীরভূম: ভুয়ো ডাক্তার সন্দেহ এক চিকিত্সককে আটক করলো নলহাটি থানার পুলিশ। ধৃত ওই চিকিত্সকের নাম উজ্বল পাত্র। নিজেকে পিজি হাসপাতালের প্রাক্তন অস্থি বিভাগের চিকিত্সক বলে পরিচয় দিতেন। সেই পরিচয়ে বিভিন্ন জায়গায় পসার জমিয়ে বলেছিলো। বীরভূমের নলহাটি শহরে বেশ কিছু এলাকায় চেম্বার করে চিকিত্সা করছিলেন .এলাকার এক রুগী প্র্হ্লাদ গড়াই হাতের সমস্যা নিয়ে কয়েক মাস আগে ওই চিকিত্সকের কাছে আসেন .সেই সময় ওই চিকিত্সক তার হাতে এক্সরে করে জানান হাত ভেঙ্গে গিয়েছে .সেই মত তার হাতে প্লাস্টার করে রাখা হয়েছিল .কিণ্তু প্লাস্টার করে রাখার জন্য দীর্ঘ দিন তার হাতে সমস্যা দেখা দিয়েছিলো .ওই চিকিত্সকের উপর আস্থা রাখতে না পেরে রামপুরহাটে একজন অস্থি বিশেষঞ্জ চিকিত্সকের কাছে গিয়েছিলেন .সেই চিকিত্সক ওই রুগিকে বলেছিলেন তার হাত ভাঙ্গে নি .এর পর তার সন্দেহ হয় .তিনি ওই চিকিত্সকের বিষয় খোঁজ খবর নেয় .তিনি যে ডাক্তারি রেজিষ্টেশন ব্যয়হার করতেন সেই রেজিস্ট্রেশন অন্য এক চিকিত্সকের নামে .যদিও সেই চিকিত্সকের রেজিস্ট্রেশন মেডিকেল কাউন্সিল অনেক আগেই ব্লাক লিস্টেড করে দিতেছে .সেই রেজিস্ট্রেশন করে আর একজন কি করে ডাক্তারি পাশ না করে চিকিত্সা করে .এই নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে প্র্হ্লাদ গড়াইয়ের পরিবার .এই বিষয় ওই চিকিত্সকের বিরুদ্ধে নলহাটি থানায় অভিযোগ জানায় .শনিবার শহরের এক প্যাথলজি সেন্টারের চেম্বারে ওই চিকিত্সক আসলে তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় পরিবারের সদস্যরা .তার বৈধ রেজিস্ট্রেশন দেখতে চায় .কিণ্তু সে দেখাতে পারেনি .যদিও ওই রেজিস্ট্রেশন তার নামে আছে কিণ্তু সেই নাম কম্পিউটারে আপডেট হয়নি .তিনি এও বলেছে প্রায় সাত আট মাস তিনি রিনিউয়াল করেন নি .তার যুক্তি দেরি করে রিনিউয়াল করার নিয়ম আছে। তবে প্যাথলজি সেন্টারের মালিক কিণ্তু এই বিষয় কিছু জানেন না বলে দাবি করেন। তবে তিনি বলেন এলাকায় কয়েক বছর ধরে চিকিত্সা করছে বলে আমি জানি.সেই সূত্রে আমি এখানে নিয়ে আসি চিকিত্সার জন্য .তার রেজিস্ট্রেশন নম্বার যাচাইয়ে জন্য তাকে বার বার বলেছিলাম। কিণ্তু এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। আজ বুঝতে পারলাম কেন এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। "এই ঘটনায় চিকিত্সক উজ্বল পাত্রকে ওই চেম্বার থেকে আটক করে নলহাটি থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য পরে যায় এলাকায়। নলহাটি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
স্নেহা চক্রবর্তী, বীরভূম: ভুয়ো ডাক্তার সন্দেহ এক চিকিত্সককে আটক করলো নলহাটি থানার পুলিশ। ধৃত ওই চিকিত্সকের নাম উজ্বল পাত্র। নিজেকে পিজি হাসপাতালের প্রাক্তন অস্থি বিভাগের চিকিত্সক বলে পরিচয় দিতেন। সেই পরিচয়ে বিভিন্ন জায়গায় পসার জমিয়ে বলেছিলো। বীরভূমের নলহাটি শহরে বেশ কিছু এলাকায় চেম্বার করে চিকিত্সা করছিলেন .এলাকার এক রুগী প্র্হ্লাদ গড়াই হাতের সমস্যা নিয়ে কয়েক মাস আগে ওই চিকিত্সকের কাছে আসেন .সেই সময় ওই চিকিত্সক তার হাতে এক্সরে করে জানান হাত ভেঙ্গে গিয়েছে .সেই মত তার হাতে প্লাস্টার করে রাখা হয়েছিল .কিণ্তু প্লাস্টার করে রাখার জন্য দীর্ঘ দিন তার হাতে সমস্যা দেখা দিয়েছিলো .ওই চিকিত্সকের উপর আস্থা রাখতে না পেরে রামপুরহাটে একজন অস্থি বিশেষঞ্জ চিকিত্সকের কাছে গিয়েছিলেন .সেই চিকিত্সক ওই রুগিকে বলেছিলেন তার হাত ভাঙ্গে নি .এর পর তার সন্দেহ হয় .তিনি ওই চিকিত্সকের বিষয় খোঁজ খবর নেয় .তিনি যে ডাক্তারি রেজিষ্টেশন ব্যয়হার করতেন সেই রেজিস্ট্রেশন অন্য এক চিকিত্সকের নামে .যদিও সেই চিকিত্সকের রেজিস্ট্রেশন মেডিকেল কাউন্সিল অনেক আগেই ব্লাক লিস্টেড করে দিতেছে .সেই রেজিস্ট্রেশন করে আর একজন কি করে ডাক্তারি পাশ না করে চিকিত্সা করে .এই নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে প্র্হ্লাদ গড়াইয়ের পরিবার .এই বিষয় ওই চিকিত্সকের বিরুদ্ধে নলহাটি থানায় অভিযোগ জানায় .শনিবার শহরের এক প্যাথলজি সেন্টারের চেম্বারে ওই চিকিত্সক আসলে তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় পরিবারের সদস্যরা .তার বৈধ রেজিস্ট্রেশন দেখতে চায় .কিণ্তু সে দেখাতে পারেনি .যদিও ওই রেজিস্ট্রেশন তার নামে আছে কিণ্তু সেই নাম কম্পিউটারে আপডেট হয়নি .তিনি এও বলেছে প্রায় সাত আট মাস তিনি রিনিউয়াল করেন নি .তার যুক্তি দেরি করে রিনিউয়াল করার নিয়ম আছে। তবে প্যাথলজি সেন্টারের মালিক কিণ্তু এই বিষয় কিছু জানেন না বলে দাবি করেন। তবে তিনি বলেন এলাকায় কয়েক বছর ধরে চিকিত্সা করছে বলে আমি জানি.সেই সূত্রে আমি এখানে নিয়ে আসি চিকিত্সার জন্য .তার রেজিস্ট্রেশন নম্বার যাচাইয়ে জন্য তাকে বার বার বলেছিলাম। কিণ্তু এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। আজ বুঝতে পারলাম কেন এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। "এই ঘটনায় চিকিত্সক উজ্বল পাত্রকে ওই চেম্বার থেকে আটক করে নলহাটি থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য পরে যায় এলাকায়। নলহাটি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

No comments:
Post a Comment