আইপিএলের ছয়দিন বাকি থাকতে যেই দলটার চুলচেরা বিশ্লেষণ করলাম দলটি হল তিনবার আই পিএল রানার্স আপ(২০০৯,২০১১,২০১৬) এবং আগের মরসুমে একেবারে শেষ অর্থাৎ অষ্টম অবস্থানে থাকা বেঙ্গালুরু। দলটির অধিনায়ক স্বয়ং বিরাট কোহলি।এবার দেখে নেওয়া যাক আই পিএলে বেঙ্গালুরুর শক্তি-দুর্বলতা কোথায়??কাদের উপর নজর রাখবেন,তারই একটা আপনাদের উদ্দেশ্যে।
শক্তি- (১)বিরাট-ডে ভিলিয়ার্স ফ্যাক্টর-সীমিত ওভার ক্রিকেটে বিরাট-ডে ভিলিয়ার্সের মত ভয়ঙ্কর খেলোয়াড় আর হয়তো নেই এই মুহূর্তে,কারণটা সবারই জানা এরা খুব ধারাবাহিক অন্যান্য ক্রিকেটারদের তুলনায় এরা যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজের দলকে একার কৃতিত্বে দলকে জয়ের মুখ দেখানোতে জুড়ি মেলাভার।স্বাভাবিকভাবেই আইপিএলেও এদের জুটি বিপক্ষ দলের বোলারদের সঙ্গে থিঙ্কট্যাঙ্ক দের ঘুম কেড়ে নেয় তা বলাবাহুল্য।রেকর্ডপুঁথি ঘাটলেই সবচেয়ে বেশি রানের পার্টনারশিপ(যে কোনো উইকেটে) এদের দুজনের নাম প্রথম দুটি স্থানে জ্বল জ্বল করছে(২২৯ বনাম গুজরাট,২১৫ বনাম মুম্বাই)
(২)অলরাউন্ডার সমৃদ্ধ দল-বেঙ্গালুরু দলটি এবার একাধিক অলরাউন্ডারে সমৃদ্ধ(যেমন-করি আন্ডারসন মঈন আলী,কলিন ডি গ্রান্ডহোমে,ক্রিস ওকস)আসলে টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে ম্যাচ জেতার ক্ষেত্রে দলের হয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাখে,যেমন একার হাতে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতে দলের হয়ে অবদান রাখতে পারে।
(৩)স্পিন টুইন-বেঙ্গালুরু দলে স্পিন টুইন অর্থাৎ চাহল-ওয়াশিংটন জুটি।এই এক্স-ফ্যাক্টর টি অন্নান্য দলের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে রাখবে।চাহল-সুন্দর যেমন বুদ্ধিদীপ্ত-কৃপণ বোলিং করে ব্যাটসম্যানদের চাপ রাখতে পারে ঠিক একইভাবে নিয়ম করে উইকেট তুলে নেয় দলের প্রয়োজনে।এরা পাওয়ার প্লে-ডেথ ওভার দুই জায়গায় সমান কার্যকরী।
দুর্বলতা-(১)ধারাবাহিকতা-বেঙ্গালুরু দলটির সবচেয়ে বড় অভাব ধারাবাহিকতা।দলটি ধারে-ভারে অন্য দলের তুলনায় শক্তিশালী হলেই সঠিক সময় জ্বলে উঠতে পারে না,চাপের মুখে স্নাযু ধরে না রাখতে পারার দুরুন ট্রফি এত কাছে গিয়ে জয়ের স্বাদ পেতে বঞ্চিত থাকতে হয়,যে দলটি ২০১৬ আই পিএলে রানার্স আপ হয়েও শেষ আই পিএল সবার নিচে শেষ করে,দলটির দুর্বলতা হিসেবে ধারাবাহিকতাকে চিন্নিত করা হচ্ছে।
(২)ডেথ বোলাররের অভাব-টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে স্বয়ং ডেথ বোলার স্পেশালিস্ট রাই দলের পক্ষে ম্যাচ নির্ধারণ করে,এবারের বেঙ্গালুরু দলে ডেথ বোলাররের অভাব রয়েছে।
(৩)অনভিজ্ঞ তরুণ ক্রিকেটার-দলে একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেটার থাকলেও একইভাবে দলে প্রুচুর অনভিজ্ঞ ক্রিকেটারের সংখ্যাও নেহাতই কম নয়।আসলে আন্তর্জারতিক ক্রিকেট না খেলার জন্য চাপের মুখে কিভাবে পারফর্ম করতে হয় তার সিকিভাগও জানা নেই।
8কাদের উপর নজর রাখবেন-(১)সরফরাজ খান-উদীয়মান ডান হাতী মুম্বাইকর ব্যাটসম্যান সরফরাজ খান ভীষণভাবে ট্যালেন্টেড তার ক্রিকেটীয় শট দেখলেই বোঝা যায় আবার আনঅর্থোডক্স শট খেলতেও বেশ পটু।২০১৬ আই পি এল নজর কেড়েছিল যদিও আগের চোটের কারণে অনিশ্চিত ছিল।
(২)ওয়াশিংটন সুন্দর-তামিলনাড়ুর এই খেলোয়াড়টি এবার বেঙ্গালুরু দলে খেলবেন।ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছেন ইন্টারন্যাশনাল আঙিনায় তার তার কৃপণ বোলিংয়ের জন্য এবং তার সহিত নিয়ম করে উইকেট তুলতে পারার দক্ষতায়।নিধহাস ট্রফিতে আবার সিরিজের সেরাও নির্বাচিত হন।। খুব স্বাভাবিকভাবেই এদের দুজনের ওপর নজর থাকবে এবং বিরাট-এবি তো আছেই আবার দোসর ম্যাককালাম। কতদূর যেতে পারে এই দল-সম্পূর্ণ পারফরমেন্সের উপর নির্ভর দল কতদূর যাবে,তবে বলা যায় বেঙ্গালুরুর নক আউট কোয়ালিফাই করা অবশ্যই সম্ভব।
শক্তি- (১)বিরাট-ডে ভিলিয়ার্স ফ্যাক্টর-সীমিত ওভার ক্রিকেটে বিরাট-ডে ভিলিয়ার্সের মত ভয়ঙ্কর খেলোয়াড় আর হয়তো নেই এই মুহূর্তে,কারণটা সবারই জানা এরা খুব ধারাবাহিক অন্যান্য ক্রিকেটারদের তুলনায় এরা যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজের দলকে একার কৃতিত্বে দলকে জয়ের মুখ দেখানোতে জুড়ি মেলাভার।স্বাভাবিকভাবেই আইপিএলেও এদের জুটি বিপক্ষ দলের বোলারদের সঙ্গে থিঙ্কট্যাঙ্ক দের ঘুম কেড়ে নেয় তা বলাবাহুল্য।রেকর্ডপুঁথি ঘাটলেই সবচেয়ে বেশি রানের পার্টনারশিপ(যে কোনো উইকেটে) এদের দুজনের নাম প্রথম দুটি স্থানে জ্বল জ্বল করছে(২২৯ বনাম গুজরাট,২১৫ বনাম মুম্বাই)
(২)অলরাউন্ডার সমৃদ্ধ দল-বেঙ্গালুরু দলটি এবার একাধিক অলরাউন্ডারে সমৃদ্ধ(যেমন-করি আন্ডারসন মঈন আলী,কলিন ডি গ্রান্ডহোমে,ক্রিস ওকস)আসলে টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে ম্যাচ জেতার ক্ষেত্রে দলের হয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাখে,যেমন একার হাতে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতে দলের হয়ে অবদান রাখতে পারে।
(৩)স্পিন টুইন-বেঙ্গালুরু দলে স্পিন টুইন অর্থাৎ চাহল-ওয়াশিংটন জুটি।এই এক্স-ফ্যাক্টর টি অন্নান্য দলের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে রাখবে।চাহল-সুন্দর যেমন বুদ্ধিদীপ্ত-কৃপণ বোলিং করে ব্যাটসম্যানদের চাপ রাখতে পারে ঠিক একইভাবে নিয়ম করে উইকেট তুলে নেয় দলের প্রয়োজনে।এরা পাওয়ার প্লে-ডেথ ওভার দুই জায়গায় সমান কার্যকরী।
দুর্বলতা-(১)ধারাবাহিকতা-বেঙ্গালুরু দলটির সবচেয়ে বড় অভাব ধারাবাহিকতা।দলটি ধারে-ভারে অন্য দলের তুলনায় শক্তিশালী হলেই সঠিক সময় জ্বলে উঠতে পারে না,চাপের মুখে স্নাযু ধরে না রাখতে পারার দুরুন ট্রফি এত কাছে গিয়ে জয়ের স্বাদ পেতে বঞ্চিত থাকতে হয়,যে দলটি ২০১৬ আই পিএলে রানার্স আপ হয়েও শেষ আই পিএল সবার নিচে শেষ করে,দলটির দুর্বলতা হিসেবে ধারাবাহিকতাকে চিন্নিত করা হচ্ছে।
(২)ডেথ বোলাররের অভাব-টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে স্বয়ং ডেথ বোলার স্পেশালিস্ট রাই দলের পক্ষে ম্যাচ নির্ধারণ করে,এবারের বেঙ্গালুরু দলে ডেথ বোলাররের অভাব রয়েছে।
(৩)অনভিজ্ঞ তরুণ ক্রিকেটার-দলে একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেটার থাকলেও একইভাবে দলে প্রুচুর অনভিজ্ঞ ক্রিকেটারের সংখ্যাও নেহাতই কম নয়।আসলে আন্তর্জারতিক ক্রিকেট না খেলার জন্য চাপের মুখে কিভাবে পারফর্ম করতে হয় তার সিকিভাগও জানা নেই।
8কাদের উপর নজর রাখবেন-(১)সরফরাজ খান-উদীয়মান ডান হাতী মুম্বাইকর ব্যাটসম্যান সরফরাজ খান ভীষণভাবে ট্যালেন্টেড তার ক্রিকেটীয় শট দেখলেই বোঝা যায় আবার আনঅর্থোডক্স শট খেলতেও বেশ পটু।২০১৬ আই পি এল নজর কেড়েছিল যদিও আগের চোটের কারণে অনিশ্চিত ছিল।
(২)ওয়াশিংটন সুন্দর-তামিলনাড়ুর এই খেলোয়াড়টি এবার বেঙ্গালুরু দলে খেলবেন।ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছেন ইন্টারন্যাশনাল আঙিনায় তার তার কৃপণ বোলিংয়ের জন্য এবং তার সহিত নিয়ম করে উইকেট তুলতে পারার দক্ষতায়।নিধহাস ট্রফিতে আবার সিরিজের সেরাও নির্বাচিত হন।। খুব স্বাভাবিকভাবেই এদের দুজনের ওপর নজর থাকবে এবং বিরাট-এবি তো আছেই আবার দোসর ম্যাককালাম। কতদূর যেতে পারে এই দল-সম্পূর্ণ পারফরমেন্সের উপর নির্ভর দল কতদূর যাবে,তবে বলা যায় বেঙ্গালুরুর নক আউট কোয়ালিফাই করা অবশ্যই সম্ভব।

No comments:
Post a Comment