স্নেহা চক্রবর্তী,বীরভূম: পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে লোবা অঞ্চলে।জানা গিয়েছে,দুবরাজপুর ব্লকের লোবা এক সময়ে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় হয়েছিলো লোবা অঞ্চলে খোলা মুখ কয়লা উত্তোলনের জন্য জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে তৈরী হয়েছিলো লোবা কৃষি জমি রক্ষা কমিটি।প্রথম দিকে এই কমিটি এলাকার সিপিএমের সঙ্গে লড়াই হলেও পরিবর্তনের ওর বর্তমান সরকারের সঙ্গে লড়াই হয়েছিলো।
তাদের দাবি, বাম আমলে খোলা মুখ কয়লা উত্তোলনের জন্য ডিভিসিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো।অভিযোগ প্রায় ৩৬০০ একর জমি চাষীদের নেহ্য মূল্য না দিয়ে অধিগ্রহণ করার চেষ্টা হয়েছিলো।সেই সময় তার বিরোধীতা করেছিলো এই কৃষি জমি রক্ষা কমিটি।তাদের আরও অভিযোগ, সেই সময় এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস সেই আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করেছিলো।কিণ্তু ওই এলাকার হাতে থাকবে সেই নিয়ে মাঝে মাঝে অশান্তি হয়েছিলো বর্তমান শাসক দলের নেতাদের সাথে।এক সময় ডিভিসি পক্ষ থেকে মেশিন নিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু করার চেষ্টা করেছিলো তা বাঁধা দিয়েছিলো কৃষি জমি সদস্যরা।তার ফল স্বরূপ ২০১২ সালের ৬ নভেম্বর পুলিশের সঙ্গে কৃষি জমির সদস্যদের সঙ্গে হয়েছিলো লড়াই,গুলি তীর চলেছিলো আহত হয়েছিল উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন।স্থানীয় নেতাদের পিছনে মদত আছে বলে দাবি কৃষি জমি রক্ষা কমিটির।এর পর মুখ্যমন্ত্রী এসে তিনি আশ্বাস দেন নেহ্য ক্ষতি পুরন দিয়ে জমি নিয়ে শিল্প গড়ার।সেই সময় এলাকার দখল রাখার জন্য লোবা পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলো কৃষি জমি রক্ষা কমিটি .১৪ টি আসনের মধ্যে ৩টি আসন পেয়েছিলো কৃষি জমি রক্ষা কমিটি।আগামী নির্বাচনে তারা লড়াই করবে।যদি তৃণমূল কংগ্রেস তাদের স্বত্ত মানে তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস এর সাথে জোট বেঁধে লড়াই করবে।আর না হলে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রস্তুত।এই বিষয় নিয়ে তারা এলাকায় এলাকায় মিটিং মিছিল করছে।
যদিও তাদের পূর্ণ আস্থা আছে মুখ্যমন্ত্রীর উপর, তৃণমূল কংগ্রেস জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল জেলা পরিষদের সভাধীপতি বিকাশ রায় চৌধুরী।দুর্নীতিগ্রস্ত কোনো নেতার কাছে তারা যাবে না স্পষ্ট বার্তা কৃষি জমি রক্ষা কমিটির।এক দিকে দ্রুত লোবায় শিল্প দাবি অন্য দিকে স্বচ্ছ পঞ্চায়েত গড়ার ডাক।এই নিয়েই ফুসছে লোবা কৃষি জমি রক্ষা কমিটি।

No comments:
Post a Comment