স্ত্রী ও মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী খুনের ঘটনার পুনঃর্ণির্মান করল হাবড়া থানার পুলিশ। অভিযুক্ত শেখর দেবনাথকে দুই দিনের পুলিশ হেপাজতে নিয়ে বুধবার তদন্তের জন্য হাবড়া থানার পুলিশ ঘটনার পুনঃর্ণির্মান করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার দুপুরে ধৃত শেখরকে নিয়ে মছলন্দপুর ও চাতরা এলাকায় গিয়ে যে দোকান থেকে মদ,ছোলা,আঙুর কিনেছিল এবং মৃতদেহ মোড়াবার জন্য মছলন্দপুরের যে দোকান থেকে প্ল্যাস্টিক কিনেছিল সেই দোকানে নিয়ে যায়। পরে শেখরকে পুলিশ বাড়িতে নিয়ে গেলে কি ভাবে স্ত্রী ও মেয়েকে খুন করেছে তা দেখায় ।
বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ পুলিশ হেপাজতে থাকা জোড়া খুন কান্ডে অভিযুক্ত শেখর দেবনাথকে হাবড়া থানা থেকে নিয়ে আই সি মৈনাক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এক বিশাল পুলিশ বাহিনী প্রথমে মছলন্দপুরের একটি প্ল্যাস্টিকের দোকানে যায়। এই দোকান থেকেই সে প্ল্যাস্টিক কিনে মৃতদেহ দুটি মুড়িয়ে রেখেছিল বলে পুলিশের জেরায় জানায় শেখর । এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বাদুড়িয়ার চাতরার বিলাতি মদের দোকানে । এই দোকান থেকেই সে বিলাতি মদ কিনেছিল বলে পুলিশ জানতে পারে । তারপর, ওই মদের দোকানের পাশেই থাকা একটি ফলের দোকানে শেখরকে নিয়ে যাওয়া হয় যেখান থেকে ফল কিনেছিল। পুনঃর্ণির্মান শেষে বিকালে তাকে আবার হাবড়া থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
প্রসঙ্গতঃ মেয়ে পুজা দেবনাথ ও স্ত্রী মিঠু দেবনাথকে খুন করে শনিবার সন্ধেয় নিজের ঘরের খাটের নিচে প্লাস্টিক পেঁচিয়ে শেখর দেবনাথ । এই ঘটনার পর
সোমবার থেকে এখনও নির্নিয়মান তিনতলা বাড়ির নিচতলার ঘরে পড়ে রয়েছে ২টি মদের বোতল ,দুটি গ্লাস ,প্যাকেট খোলা বিরিয়ানী ও মাংস । দুটি মদের গ্লাসের রহস্য জানায় শেখর । শেখর পুলিশকে জানিয়েছে, সে সোমবার সকালে প্রতিবেশী এক যুবককে দিয়ে মদ ও বিরিয়ানী আনিয়ে নিচের ঘরে বসে খায়। তবে ওই যুবক বুঝতেই পারেনি মাথার ওপরের ঘরে বাড়ির মা মেয়ের মৃত দেহ রাখা আছে। আর সে এক খুনের ঘটনায় জড়িতের সাথে বসে মদ খাচ্ছে।
বুধবার দুপুরে ধৃত শেখরকে নিয়ে মছলন্দপুর ও চাতরা এলাকায় গিয়ে যে দোকান থেকে মদ,ছোলা,আঙুর কিনেছিল এবং মৃতদেহ মোড়াবার জন্য মছলন্দপুরের যে দোকান থেকে প্ল্যাস্টিক কিনেছিল সেই দোকানে নিয়ে যায়। পরে শেখরকে পুলিশ বাড়িতে নিয়ে গেলে কি ভাবে স্ত্রী ও মেয়েকে খুন করেছে তা দেখায় ।
বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ পুলিশ হেপাজতে থাকা জোড়া খুন কান্ডে অভিযুক্ত শেখর দেবনাথকে হাবড়া থানা থেকে নিয়ে আই সি মৈনাক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এক বিশাল পুলিশ বাহিনী প্রথমে মছলন্দপুরের একটি প্ল্যাস্টিকের দোকানে যায়। এই দোকান থেকেই সে প্ল্যাস্টিক কিনে মৃতদেহ দুটি মুড়িয়ে রেখেছিল বলে পুলিশের জেরায় জানায় শেখর । এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বাদুড়িয়ার চাতরার বিলাতি মদের দোকানে । এই দোকান থেকেই সে বিলাতি মদ কিনেছিল বলে পুলিশ জানতে পারে । তারপর, ওই মদের দোকানের পাশেই থাকা একটি ফলের দোকানে শেখরকে নিয়ে যাওয়া হয় যেখান থেকে ফল কিনেছিল। পুনঃর্ণির্মান শেষে বিকালে তাকে আবার হাবড়া থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
প্রসঙ্গতঃ মেয়ে পুজা দেবনাথ ও স্ত্রী মিঠু দেবনাথকে খুন করে শনিবার সন্ধেয় নিজের ঘরের খাটের নিচে প্লাস্টিক পেঁচিয়ে শেখর দেবনাথ । এই ঘটনার পর
সোমবার থেকে এখনও নির্নিয়মান তিনতলা বাড়ির নিচতলার ঘরে পড়ে রয়েছে ২টি মদের বোতল ,দুটি গ্লাস ,প্যাকেট খোলা বিরিয়ানী ও মাংস । দুটি মদের গ্লাসের রহস্য জানায় শেখর । শেখর পুলিশকে জানিয়েছে, সে সোমবার সকালে প্রতিবেশী এক যুবককে দিয়ে মদ ও বিরিয়ানী আনিয়ে নিচের ঘরে বসে খায়। তবে ওই যুবক বুঝতেই পারেনি মাথার ওপরের ঘরে বাড়ির মা মেয়ের মৃত দেহ রাখা আছে। আর সে এক খুনের ঘটনায় জড়িতের সাথে বসে মদ খাচ্ছে।

No comments:
Post a Comment