মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: আবাসিক হোটেল ও বারের আড়ালে দেহ-ব্যবসার বড়সড় চক্রের হদিশ পেল সিআইডি। বুধবার সন্ধেয় ডায়মন্ড হারবারের রায়চকে হোটেল এরিনাতে অভিযান চালায় সিআইডি। হোটেল থেকে ২ মহিলা পাচারকারী-সহ একাধিক পুরুষ ও মহিলাকে ধরে ফেলে সিআইডি। ৪ নাবালিকা-সহ ১২ জন মেয়েকে উদ্ধার করেছে সিআইডি। এই ঘটনায় হোটেলের ৭ কর্মী-সহ ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবার এডিজে কোর্ট ও নাবালিকাদের জুভেনাইল কোর্টে পেশ করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে পাচার, পকসো-৪, ইমমরাল ট্রাফিক আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
রায়চক বাস স্ট্যান্ডের পাশেই ৫ তলা এরিনা হোটেল এন্ড বার। এই হোটেলের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনী দেহ-ব্যবসার অভিযোগ উঠছিল। এলাকার মানুষরাও সরব ছিলেন এই ঘটনা নিয়ে। সিআইডি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালায়। হোটেলের মালিক ও কর্মীরাও এই চক্রের শরিক বলে দাবি সিআইডির। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি জানতে পেরেছে, ২ পাচারকারী মহিলা এই চক্রের মাথা। কলকাতা-সহ দক্ষিণ শহরতলির বিভিন্ন এলাকার মেয়েদের কাজের টোপ দিয়ে হোটেলে নিয়ে আসত কিছু এজেন্ট। হোটেলেই রাখা হত মেয়েদের। এদের মধ্যে অনেকেই আবার নাবালিকা। হোটেলে নিয়ে এসে মেয়েদের জোর করে দেহ-ব্যবসায় লাগানো হতো বলে অভিযোগ। এই হোটেলের কিছু পুরুষ খরিদ্দার আছে। তাদের পছন্দসই মেয়ে সাপ্লাই করত হোটেল। এমনকি হোটেলের আশেপাশের মেয়েদেরকেও মোটা টাকার টোপ দিয়ে এই কাজ করানো হত। এই চক্রে হোটেলের মালিক থেকে কর্মীরাও জড়িত। এখান থেকে রাজ্যের বিভিন্ন হোটেলেও মেয়ে সাপ্লাই করা হত বলে অভিযোগ।
রায়চক বাস স্ট্যান্ডের পাশেই ৫ তলা এরিনা হোটেল এন্ড বার। এই হোটেলের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনী দেহ-ব্যবসার অভিযোগ উঠছিল। এলাকার মানুষরাও সরব ছিলেন এই ঘটনা নিয়ে। সিআইডি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালায়। হোটেলের মালিক ও কর্মীরাও এই চক্রের শরিক বলে দাবি সিআইডির। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি জানতে পেরেছে, ২ পাচারকারী মহিলা এই চক্রের মাথা। কলকাতা-সহ দক্ষিণ শহরতলির বিভিন্ন এলাকার মেয়েদের কাজের টোপ দিয়ে হোটেলে নিয়ে আসত কিছু এজেন্ট। হোটেলেই রাখা হত মেয়েদের। এদের মধ্যে অনেকেই আবার নাবালিকা। হোটেলে নিয়ে এসে মেয়েদের জোর করে দেহ-ব্যবসায় লাগানো হতো বলে অভিযোগ। এই হোটেলের কিছু পুরুষ খরিদ্দার আছে। তাদের পছন্দসই মেয়ে সাপ্লাই করত হোটেল। এমনকি হোটেলের আশেপাশের মেয়েদেরকেও মোটা টাকার টোপ দিয়ে এই কাজ করানো হত। এই চক্রে হোটেলের মালিক থেকে কর্মীরাও জড়িত। এখান থেকে রাজ্যের বিভিন্ন হোটেলেও মেয়ে সাপ্লাই করা হত বলে অভিযোগ।

No comments:
Post a Comment