পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলো মতুয়া মহাসঙ্ঘের সংঙ্ঘাধিপতি তথা তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রীর ছোট ছেলে শান্তনু ঠাকুর এবং তার আরেক সহযোগী তপন কিরণ মজুমদার। সূত্রে মারফত জানা যায় গত উনিশ তারিখ মেলা চলাকালীন ঠাকুরবাড়ির মতুয়া মহাসঙ্ঘের মন্দির থেকে চুরি যায় একটি সোনার হার ৷ এরপর গাইঘাটা থানায় চুরির অভিযোগ দায়ের করেন অনুষ্ঠান কমিটির আহ্বায়ক ধ্যানেশ নারায়ন গুহ ৷ পুলিশ তদন্ত শুরু করে গত একুশ তারিখ অমিত মোহন্ত সরকার নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আরো দুজনকে শনাক্ত করে পুলিশ ৷অভিযোগ শুক্রবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ পুলিশ ওই দুই ব্যক্তিকে ধরতে গেলে শান্তনু ঠাকুর সহ বেশ কয়েকজন পুলিশের কাজে বাধা সৃষ্টি করে। পুলিশকে ধাক্কাধাক্কি করে বলেও অভিযোগ। গাইঘাটা থানার মেজবাবু রামকৃষ্ণ ঘুরিয়া সহ আরো তিনজন আক্রান্ত হয়। এরপর ঘটনাস্থলে গাইঘাটা থানার বড়বাবু উপস্থিত হন এবং বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করতে চেষ্টা করেন। তা সত্ত্বেও শান্তনু ঠাকুর ও তার দলবল উত্তেজনা বাড়াতে থাকে ধাক্কাধাক্কি চালাতে থাকে। ধাক্কাধাক্কি সামলাতে গিয়ে বড়বাবু অরিন্দম মুখার্জির হাতে লাগে ৷ সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে গাইঘাটা থানার পুলিশ তপন কিরণ মজুমদার ও সান্তনু ঠাকুরকে গ্রেপ্তার করে ৷
এই ঘটনায় মঞ্জুল বাবু বলেন, 'এটা একটা চক্রান্ত আমাদের পরিবারের একজন আছে সে এই সব করাচ্ছে ,তার নাম মুখে আনতে ও রুচিতে বাধে'। পাশাপাশি শান্তনু ঠাকুর বলেন, " মমতা ঠাকুর এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা পুলিশের কাজে বাধা দেইনি বরং মেলা চলাকালীন পুলিশ খুব ভালো কাজ করেছে। আমরা পুলিশের কাজে সবসময় সহযোগিতা করি । আমরা ঠাকুরবাড়ির লোক জানতাম না সোনারহার চুরি হয়েছে। চুরির এমন কোনো অভিযোগ হয়েছে কিনা সেটাই পুলিশকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমাকে পুলিশ ধরে নিয়ে আসলো ৷মতুয়া মহাসঙ্ঘের ভক্তদের উপরেই এর বিচারের দায়িত্ব ছাড়লাম ৷" আজ দুপুরে শান্তুনু ঠাকুর এবং তার সহকারীকে বনগাঁ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনায় মঞ্জুল বাবু বলেন, 'এটা একটা চক্রান্ত আমাদের পরিবারের একজন আছে সে এই সব করাচ্ছে ,তার নাম মুখে আনতে ও রুচিতে বাধে'। পাশাপাশি শান্তনু ঠাকুর বলেন, " মমতা ঠাকুর এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা পুলিশের কাজে বাধা দেইনি বরং মেলা চলাকালীন পুলিশ খুব ভালো কাজ করেছে। আমরা পুলিশের কাজে সবসময় সহযোগিতা করি । আমরা ঠাকুরবাড়ির লোক জানতাম না সোনারহার চুরি হয়েছে। চুরির এমন কোনো অভিযোগ হয়েছে কিনা সেটাই পুলিশকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমাকে পুলিশ ধরে নিয়ে আসলো ৷মতুয়া মহাসঙ্ঘের ভক্তদের উপরেই এর বিচারের দায়িত্ব ছাড়লাম ৷" আজ দুপুরে শান্তুনু ঠাকুর এবং তার সহকারীকে বনগাঁ আদালতে পাঠানো হয়েছে।


No comments:
Post a Comment