বিভাস লোধ কলকাতাঃ ২৩ মে গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে প্রতিবাদ মিছিল বের করলেন গেরুয়া শিবিরের মাথারা। সোমবার শাসকদলের সন্ত্রাস, গুন্ডামী, অগ্নিকান্ড, বিরোধী দলের কর্মীদের নির্দ্বিধায় হত্যা করে তাদের মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি, একের পর এক ঘৃণ্য অন্যায়ের প্রতিবাদে রাজপথে প্রতিবাদে রাস্তায় পায়ে পা মেলালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ,রাজ্য নেতা মুকুল রায়, রাজ্য নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল সিনহা, শমীক ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য বিজেপির নেতা নেত্রী সহ কর্মীবৃন্দ।
প্রসঙ্গত, ২৩ মে 'গণতন্ত্র হত্যাদিবস' পালন করা হবে।সোমবার গোটা রাজ্য শাসকদলের যে রুপ দেখেছে পশ্চিমবঙ্গবাসী,যেভাবে বিরোধীদের হত্যা,মারধর করা হয়েছে তা থেকেই ঠিক হয়েছে সামনের বছর থেকে ২৩ মে দিনটিকে 'গণতন্ত্র হত্যাদিবস' দিন হিসেবে পালন করা হবে।মঙ্গলবার সরকারী কর্মচারীর আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন বিজেপির দাপুটে নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী পঞ্চায়েত ভোট নির্বাচন করা হয়েছে। তবে রাজ্যজুড়ে তৃণমূলী গুন্ডারা যা অত্যাচার করেছে তাতে স্পষ্ট সন্ত্রাস ছাড়া আর কোনভাবে ভোট আদায় করতে তারা পারবে না। ফলে একটাই অস্ত্র নবান্ন ঘেরাও, পাশাপাশি প্রতিবাদী আন্দোলন তীব্র করা।জয় এদিন বলেন, ডান-বাম-সবুজ সবাইকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, কিন্ত পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি একমাত্র বিজেপিকে। জয় প্রকাশ্যে বলেন, একবার তাদেরও যেন সুযোগ দেয় জনগণ, যদি সুযোগে উত্তীর্ণ না হতে পারে তাহলে ৫ বছর ধারে কাছে আসবে না। সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে বাংলার প্রেমী নেতা হিরু ওরফে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি সরকারী কর্মচারীদের অবস্থার ব্যঙ্গ করে বলেন, আগে উচ্চপদস্থ পুলিশের কাছে সাক্ষাত করতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে হত মুখ্যমন্ত্রীদের। আর আজ মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের রাধুনি ডিজি।নাম না করে রাজ্য ডিজি সুরজিৎ পুরকায়স্থকে একহাত নিলেন জয়। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজে বলেন,সরকারী কর্মচারী ঘেউ ঘেউ, ফলে আর কি হবে তাদের? প্রশ্ন ছুড়লেন জনগনের কাছে।জয় বলেন, অন্যান্য রাজ্যে সরকারী কর্মচারীদের বেতন থেকে অবস্থান সব বাড়ছে কিন্ত পশ্চিমবঙ্গে?
জয় এর তীব্র প্রতিবাদ করে বলেন, এই সমস্যার একটাই হাল নবান্ন ঘেরাও ও প্রতিবাদী আন্দোলন আরও তীব্র করা।



No comments:
Post a Comment