গত বুধবার থেকে দুর্গাপুরের সার নগরীর জনগন দু চোখের পাতা এক করতে পারেনি আতঙ্কে কখন গজরাজ খেপে গিয়ে ঘর ভেঙ্গে দেবে,বাড়ি থেকে বার হওয়া তো দুরের কথা জানালা একটু খুলে গজরাজের গতিপথ লক্ষ রাখা হচ্ছিল।বনবিভাগের কর্মীরা ও গজরাজের গতিপ্রকৃতি লক্ষ করছিল।অবশেষে বনবিভাগ সিদ্ধান্ত গজরাজকে না তাড়িয়ে ঘুমপাড়ানী গুলি করে তাকে ঘুম পাড়িয়ে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হবে।বাঁকুড়া থেকে ঘুমপাড়ানী মেশিন চালাবার বনবিভাগের কর্মী সনাতন মুর্মুকে নিয়ে আসা হয়। ঘুমপাড়ানী গুলি দিয়ে গুলি করে বুধবার রাতে গজরাজকে ঘুম পাড়ানো হয়,বৃহস্পতিবার সকালে ক্রেন এনে ঘুমন্ত গজরাজকে নিয়ে বাঁকুড়ার ঝিলিমিলি জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়।ঘুমন্ত গজরাজকে দেখতে উৎসাহী জনতার ভীড় দেখার মতো।
গত বুধবার থেকে দুর্গাপুরের সার নগরীর জনগন দু চোখের পাতা এক করতে পারেনি আতঙ্কে কখন গজরাজ খেপে গিয়ে ঘর ভেঙ্গে দেবে,বাড়ি থেকে বার হওয়া তো দুরের কথা জানালা একটু খুলে গজরাজের গতিপথ লক্ষ রাখা হচ্ছিল।বনবিভাগের কর্মীরা ও গজরাজের গতিপ্রকৃতি লক্ষ করছিল।অবশেষে বনবিভাগ সিদ্ধান্ত গজরাজকে না তাড়িয়ে ঘুমপাড়ানী গুলি করে তাকে ঘুম পাড়িয়ে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হবে।বাঁকুড়া থেকে ঘুমপাড়ানী মেশিন চালাবার বনবিভাগের কর্মী সনাতন মুর্মুকে নিয়ে আসা হয়। ঘুমপাড়ানী গুলি দিয়ে গুলি করে বুধবার রাতে গজরাজকে ঘুম পাড়ানো হয়,বৃহস্পতিবার সকালে ক্রেন এনে ঘুমন্ত গজরাজকে নিয়ে বাঁকুড়ার ঝিলিমিলি জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়।ঘুমন্ত গজরাজকে দেখতে উৎসাহী জনতার ভীড় দেখার মতো।

No comments:
Post a Comment