কৃশানু ভদ্র, ঝাড়গ্রাম: আগামী ৭ দিনের মধ্যে ছত্রধর মাহাতো কে জেল থেকে বার করে দেখান এই ক্ষমতা তো মমতা ব্যানার্জির আছে লালগড়ের আমেলিয়া গ্রামে ছত্রধর মাহাতোর বাড়িতে এসে এমনই জানালেন মুকুল রায়।তিনি আরো জানান যার হাত ধরে জঙ্গলমহলে ঢোকা ,যার সঙ্গে কানে কানে কথা বলে জঙ্গল মহলে আসা সেই ছত্রধর এখন জেলে । মমতা ব্যানার্জীর এটা স্বভাব কাজ মিটে গেলে ছুড়ে ফেলে দেওয়া ।
আগামী ৭ দিনের মধ্যে ছত্রধর মাহাতকে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়ার ব্যাবস্থা করুন এই ক্ষমতা মমতা ব্যানার্জীর আছে । সেটা করে দেখাক মমতা ব্যানার্জি । বুধবার লালগড়ের আমলিয়া গ্রামে ছত্রধর মাহাতোর বাড়িতে আসেন মুকুল রায় এবং ছত্রধর মা বাদনাবালা মাহাত ও তার ভাই অনিল মাহাতোর সঙ্গে একান্ত ই কথা বলেন এবং পরিবারের সবাই কি অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে সেই বিষয়ে খোঁজ খবর নেন এবং আশ্বাস দেন খুব তাড়াতাড়ি ছত্রধর বাবু ছাড়া পাবেন । এবং সাংবাদিকদের মুখ মুখি হয়ে তিনি হাতে তুলে ধরেছেন ছত্রধর মাহাত আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জঙ্গলমহলের মিটিং করার ছবি।
পশ্চিম মেদিনীপুরের দলিতপুরে একটি নাশকতামূলক বিস্ফোরণের ঘটনায় ও মাওবাদী সংস্রবের অভিযোগে ২০০৯-এর ২৬ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয় পুলিশি সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির নেতা ছত্রধর মাহাতকে। ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনে জেল থেকেই ভোটে লড়েন ছত্রধর। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বন্দিমুক্তি কমিটি গঠিত হয়। কিন্তু, রেহাই পাননি তিনি। যদিও ২০০৯-এর লোকসভা ভোটের আগে ছবিটা ছিল অন্যরকম। রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একই সভামঞ্চে দেখা গিয়েছে ছত্রধর মাহাতকে। মমতা ছত্রধরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে জঙ্গলমহলের জনগণ বলে আসছেন।তাঁর বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে ৩৯টি মামলা ছিল। পাঁচটিতে বেকসুর খালাসও হন। বাকি মামালাগুলিতে তিনি জেল খাটছেন।

No comments:
Post a Comment