নিজস্ব সংবাদদাতা,বসিরহাট: প্রায় ছ'মাস আগে মানসিক ভারসাম্যহীন এক তরুণ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়।বাড়ির লোকজন অনেক খোঁজা-খুঁজি করেও তার কোনও সন্ধান করতে পারেনি।পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর থানার 'জফলা'গ্রামে বাড়ি তরুণের। পরিবারের লোকজন তার ছবি দিয়ে খড়গপুর থানায় একটি মিসিং ডায়েরি করেন। বছর আঠারোর মানসিক ভারসাম্যহীন ওই তরুণ বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে হাসনাবাদের ইছামতী নদীর খেয়া পার হয়ে দশ-বারো দিন আগে হিঙ্গলগঞ্জের বাজারের কাছে লঞ্চঘাটে চলে আসে। অসুস্থ ও অভুক্ত অবস্থায় তাকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে কয়েকজন ব্যবসায়ী ওই তরুণকে হিঙ্গলগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুশান্ত ঘোষের কাছে নিয়ে আসেন। সুশান্ত ঘোষের উদ্যোগে তরুণকে ডাক্তার দেখিয়ে ও পরিচর্যা করে সুস্থ করে তোলা হয়। এর পরেই বাড়ি ছাড়া ওই অসহায় তরুণকে কি করে তার বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়া যায় সেই চেষ্টাই করতে থাকেন ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা। বাজারের কাছে একটি ঘরে তাকে রেখে দেখভাল করার পাশাপাশি ওই তরুণের বাড়ির খোঁজ চালাতে থাকেন তারা। ছেলেটি তার গ্রামের নাম 'জফলা' ছাড়া আর কিছুই মনে করতে পারছিল না ।অগত্যা খড়ের গাদায় সুচ খোঁজা শুরু করলেন তারা।অবশেষে ইণ্টারনেটের মাধ্যমেই মুশকিল আসান হল। নেট সার্চ করেই সুশান্ত ঘোষ 'জফলা' গ্রামের সন্ধান পেলেন। জানা গেল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর থানার অন্তর্গত 'জফলা' গ্রাম আছে একটি। এর পরেই ব্যবসায়ী সমিতির তরফে হিঙ্গলগঞ্জ থানা মারফত খড়গপুর থানায় তরুণের ছবি পাঠিয়ে যোগাযোগ করেন।খড়গপুর থানা থেকে তরুণের নাম পরিচয় সব জানানো হয় হিঙ্গলগঞ্জ থানাতে। যোগাযোগ হয় তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে। জানা যায় মানসিক ভারসাম্যহীন ওই তরুণের নাম সুকুমার রায়(১৮)। বাবার নাম বিমল রায়। মা অষ্টমী রায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা,বসিরহাট: প্রায় ছ'মাস আগে মানসিক ভারসাম্যহীন এক তরুণ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়।বাড়ির লোকজন অনেক খোঁজা-খুঁজি করেও তার কোনও সন্ধান করতে পারেনি।পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর থানার 'জফলা'গ্রামে বাড়ি তরুণের। পরিবারের লোকজন তার ছবি দিয়ে খড়গপুর থানায় একটি মিসিং ডায়েরি করেন। বছর আঠারোর মানসিক ভারসাম্যহীন ওই তরুণ বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে হাসনাবাদের ইছামতী নদীর খেয়া পার হয়ে দশ-বারো দিন আগে হিঙ্গলগঞ্জের বাজারের কাছে লঞ্চঘাটে চলে আসে। অসুস্থ ও অভুক্ত অবস্থায় তাকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে কয়েকজন ব্যবসায়ী ওই তরুণকে হিঙ্গলগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুশান্ত ঘোষের কাছে নিয়ে আসেন। সুশান্ত ঘোষের উদ্যোগে তরুণকে ডাক্তার দেখিয়ে ও পরিচর্যা করে সুস্থ করে তোলা হয়। এর পরেই বাড়ি ছাড়া ওই অসহায় তরুণকে কি করে তার বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়া যায় সেই চেষ্টাই করতে থাকেন ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা। বাজারের কাছে একটি ঘরে তাকে রেখে দেখভাল করার পাশাপাশি ওই তরুণের বাড়ির খোঁজ চালাতে থাকেন তারা। ছেলেটি তার গ্রামের নাম 'জফলা' ছাড়া আর কিছুই মনে করতে পারছিল না ।অগত্যা খড়ের গাদায় সুচ খোঁজা শুরু করলেন তারা।অবশেষে ইণ্টারনেটের মাধ্যমেই মুশকিল আসান হল। নেট সার্চ করেই সুশান্ত ঘোষ 'জফলা' গ্রামের সন্ধান পেলেন। জানা গেল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর থানার অন্তর্গত 'জফলা' গ্রাম আছে একটি। এর পরেই ব্যবসায়ী সমিতির তরফে হিঙ্গলগঞ্জ থানা মারফত খড়গপুর থানায় তরুণের ছবি পাঠিয়ে যোগাযোগ করেন।খড়গপুর থানা থেকে তরুণের নাম পরিচয় সব জানানো হয় হিঙ্গলগঞ্জ থানাতে। যোগাযোগ হয় তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে। জানা যায় মানসিক ভারসাম্যহীন ওই তরুণের নাম সুকুমার রায়(১৮)। বাবার নাম বিমল রায়। মা অষ্টমী রায়।

No comments:
Post a Comment