স্নেহা চক্রবর্তী, বীরভূম: বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে মনোনয়নের প্রথম দিন কাটলো রক্তারক্তিতে।জেলার ১৯টি ব্লকে সোমবার থেকে মনোনয়ন তোলা ও জমা দেওয়ার দিন ছিল।কোথাও বিরোধীরা মনোনয়ন জমা করতে পারেনি বলে দাবি।সুষ্ঠ ভাবে মনোনয়ন জমার দাবি জানিয়ে বামফ্রন্ট জেলা শাসকের কাছে ডেপুটেশন দেয়।এদিন লাভপুর,বোলপুর,নানুর,রামপুরহাট ,নলহাটি সর্বত্র ছিলো একই চিত্র।শাসকের দাপাদাপিতে পিছু হটেন বিরোধীরা।নলহাটি এক নম্বর ব্লকে সকাল থেকে ব্লকের গেটে তৃণমূলের দলীয় পতাকা লাগিয়ে গেট বন্ধ করে দেয়।তার মধ্যে যে সব বিরোধীরা মনোনয়ন জমা করতে ঢুকেছিলো সেই সব বিরোধীদের চিহ্নিত করে মারধর দিয়ে ব্লক চত্বর থেকে বের করে দেয়।এমন কি তাদের তোলা মনোনয়ন পত্র ছিঁড়ে দেয়।বিরোধীরা নলহাটি থানায় গেলে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ।তারা বিক্ষোভ দেখায় থানার সামনে।একই ঘটনা রামপুরহাট এক নম্বর ব্লকে।
এখানেও বিজেপি কর্মীরা মনোনয়ন তুলতে গেলে তাদের বেধড়ক মারধর করে আট জন বিজেপি কর্মী আহত হয়।আহত দের উদ্ধার করে রামপুরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এছাড়াও বিরোধীদের মনোনয়ন ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেয় বলেও অভিযোগ।দুবরাজপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধোর করা হয়।কোথাও বা গ্রামের আগেই লাঠি নিয়ে পাহাড়া কোথাও বা ব্লক অফিস জ্যাম করে রাখা।
এই ঘটনায় আতঙ্কিত বিরোধীরা।তারা কি পারবে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে নাকি বিরোধী ছাড়া পঞ্চায়েত গঠন করবে শাসক।যদিও তৃণমূল কংগ্রেস জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল প্রতি সভায় বলেছিলেন বিরোধীরা কেউ মনোনয়ন জমা করবে না।উন্নয়ন থামিয়ে দেবে ,এই তার উদাহরণ।বিরোধীদের অভিযোগ এই ব্যবস্থা গণ তান্ত্রিক নয়।মানুষের অধিকার খর্ব করেছে তৃণমূল বলে দাবি।যদিও বিরোধীরা কোন প্রার্থী দিতে পারছে না বলেই এই ধরনের অভিযোগ বলে জানান জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।আগামী ৩রা মে বীরভূমে পঞ্চায়েত নির্বাচন।আগামী নয় তারিখ পর্যন্ত চলবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ।

No comments:
Post a Comment