পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এক তৃণমূল নেতাকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল সিপিআইএমের বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক খুনের ঘটনার উত্তেজনা এলাকায়।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের স্বরুপনগর থানার বালতি পঞ্চায়েতের নিত্যানন্দকারী গ্রামে। মৃত তৃণমূল নেতার নাম আমিরুল মণ্ডল(২৭)। এই আমিরুল মণ্ডল বালতি পঞ্চায়েতের সক্রিয় তৃনমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। সোমবার সকালে ওই তৃণমূল নেতার বাড়ির কিছুটা দূরে তার রক্তাত মৃত দেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী।এই ঘটনার কথা চাউর হতেই মুহুর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে হাজির হয় এলাকার তৃণমূলের কর্মী সমর্থকেরা। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দিলে পুলিস এসে ওই তৃণমূল নেতার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে। তৃণমূল সূত্রে জানা যায়, ওই বালতি পঞ্চায়েত বর্তমানে সিপিআইএম দখলে। এখন ওই এলাকার মানুষ উন্নয়নের কাজে সামিল হয়ে সিপিআইএম ছেড়ে তৃণমূলে চলে এসেছে। ওই পঞ্চায়েত এবার তৃণমূলের দখলে চলে জাবে,সে জন্য তৃণমূল কে আটকাতে এই আমিরুল মণ্ডল কে সিপিআইএম এর কিছু দুস্কৃতিরা তাকে কুপিয়ে খুন করল। যদিও সিপিআইএম সূত্রে এই কথা অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবী সীমান্তবর্তী এলাকায় বাড়ি আমিরুলের,আমিরুল এক জন পাচার কারী ছিলো,ওদের পাচারকারীদের মধ্যে কোন গণ্ডগোলের জেরেই খুন হয়।আমিরুল মণ্ডল।
এই ব্যাপারে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন,'আমাদের সক্রিয় নেতা কে খুন করা হয়েছে, আর এই খুন বিজেপির মদতে সিপিআইএম এর গুণ্ডা বাহিরা ওকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বাড়ির পাশে গলার নলী কে ও পেটে ছুরি মেরে খুন করেছে।
যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে সিপিআইএম উত্তর ২৪ পরগনার জেলার সম্পাদক মৃনাল চক্রবর্তী। তিনি বলেন,' ওখানে আমারা নমিনেশানে জমা দেবার লোক পাইনি আর আমার খুন করবো? এটা ওদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তার জেরেই খুন।ঘটনার তদন্তে পুলিশ।

No comments:
Post a Comment