নমিনেশন জমা নেওয়া হয়েছে তিন দফায়। নমিনেশন জমা নেওয়ার পর পঞ্চায়েত ভোট হবে এক দফায়। আমরা এই বিষয়টি নিয়ে কোর্টে যাচ্ছি। এটা একটা জালিয়াতি। রবিবার চন্ডীতলায় জঙ্গলপাড়ায় একটি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথাই বললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা রাহুল সিনহা। এদিন ওই সভায় রাহুল সিনহা ছাড়াও হাজির ছিলেন বিজেপির শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ভাষ্কর ভট্টাচার্য সহ একাধিক বিজেপির নেতা ও পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থীরা।
এদিন ওই সভায় রাহুল সিনহা বলেন, একদিনে ভোট কিভাবে হবে। ৫৮হাজার বুথ। ৪২হাজার পুলিশ। প্রতিবুথে ১টা করেও পুলিশ হবেনা। বাইরে থেকে পুলিশ আনার গল্পটা গল্পই থাকবে। সামান্য কিছু পুলিশ এলেও তাদের পরিচালনা করতে আবার একজন করে পুলিশ লাগবে। কোনও অবস্থাতেই একদিনে ভোট করার মত পরিস্থিতি নেই। সুতরাং দেদার ভোট লুট হবে।
এদিন রাহুল বাবু বলেন, গত বারও সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশে ৫দফায় রমজান মাসে ভোট হয়েছিল। মহেশতলার বাই ইলেকশন রমজান মাসে হয়েছে। তবে পঞ্চায়েত ভোট রমজান মাসে হতে আপত্তি কোথায়। রমজান মাসের নামে রাজনীতি হছে। পাশাপাশি রমজান মাসের নামে তরিঘরি ভোট লুট করার চেষ্টা হচ্ছে।
এদিন বিজেপির ওই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, আমরা ২২টা রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছি। কোথাও কেউ দেখাতে পাড়বে আমরা বিরোধীদের জোর করে নমিনেশন প্রত্যাহার করিয়েছি। ভোট লুট করেছি। গনতন্ত্রের কথা বলে এই রাজ্যে ভোট লুট হয়। মানুষ মারা জায়।
রাহুল সিনহা এদিন অভিযোগ করে বলেন, থানা থেকে এখন তৃণমূলের ভোটের টিকিট বিলি হচ্ছে। এক একটি টিকিটের জন্যে ৩জন করে লোক দাঁড়িয়ে গিয়েছে। সেটার সমাধান করছে থানার আইসিরা। কে তৃণমূলের আসল প্রার্থী। এর থেকে দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি আর কি হতে পারে। বিজেপির ভয় তৃণমূলকে এমন ভাবে তারা করছে। তাই তৃণমূল প্রকাশ্যে বন্দুক পিস্তল নিয়ে ভোটের ময়দানে নেমে পড়েছেন।
এদিন ওই সভায় রাহুল সিনহা বলেন, একদিনে ভোট কিভাবে হবে। ৫৮হাজার বুথ। ৪২হাজার পুলিশ। প্রতিবুথে ১টা করেও পুলিশ হবেনা। বাইরে থেকে পুলিশ আনার গল্পটা গল্পই থাকবে। সামান্য কিছু পুলিশ এলেও তাদের পরিচালনা করতে আবার একজন করে পুলিশ লাগবে। কোনও অবস্থাতেই একদিনে ভোট করার মত পরিস্থিতি নেই। সুতরাং দেদার ভোট লুট হবে।
এদিন রাহুল বাবু বলেন, গত বারও সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশে ৫দফায় রমজান মাসে ভোট হয়েছিল। মহেশতলার বাই ইলেকশন রমজান মাসে হয়েছে। তবে পঞ্চায়েত ভোট রমজান মাসে হতে আপত্তি কোথায়। রমজান মাসের নামে রাজনীতি হছে। পাশাপাশি রমজান মাসের নামে তরিঘরি ভোট লুট করার চেষ্টা হচ্ছে।
এদিন বিজেপির ওই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, আমরা ২২টা রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছি। কোথাও কেউ দেখাতে পাড়বে আমরা বিরোধীদের জোর করে নমিনেশন প্রত্যাহার করিয়েছি। ভোট লুট করেছি। গনতন্ত্রের কথা বলে এই রাজ্যে ভোট লুট হয়। মানুষ মারা জায়।
রাহুল সিনহা এদিন অভিযোগ করে বলেন, থানা থেকে এখন তৃণমূলের ভোটের টিকিট বিলি হচ্ছে। এক একটি টিকিটের জন্যে ৩জন করে লোক দাঁড়িয়ে গিয়েছে। সেটার সমাধান করছে থানার আইসিরা। কে তৃণমূলের আসল প্রার্থী। এর থেকে দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি আর কি হতে পারে। বিজেপির ভয় তৃণমূলকে এমন ভাবে তারা করছে। তাই তৃণমূল প্রকাশ্যে বন্দুক পিস্তল নিয়ে ভোটের ময়দানে নেমে পড়েছেন।

No comments:
Post a Comment