নিজস্ব সংবাদদাতা: শেষ পর্যন্ত যাবতীয় শঙ্কা দূর করে জয়ের রাস্তায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। ঘরের মাঠে ফের ব্যর্থ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোর। দলকে নিজের কাঁধে তুলে নিলেও কার্যত জঘন্য ফিল্ডিং এর হারের মুখ দেখতে হল বিরাট কোহলিকে। আর এই ম্যাচে হারের ফলে আই পি এলে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোর।
রবিবার টসে জিতে ফিল্ডিং এর সিদ্ধান্ত নেন নাইট অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। শুরুতেই চমকে দিয়ে বোলিং শুরু হয় পীযূষ চাওলাকে দিয়ে। পাওয়ার প্লে তে পীযূষ, নারিন, মাভি, জনসনদের আঁটোসাটো বোলিং এ ম্যাকালম-ডি কক জুটিতে ওঠে ৪০ রান। অল্প সময়ের ব্যবধানে সাজঘরে ফেরেন ডি কক, ম্যাকালাম, মনন ভোরা। এদিনের ম্যাচে ব্যাঙ্গালোরের কাছে বড় ধাক্কা এ বি ডেভিলিয়ার্স এর না থাকা। তবে দলের কঠিন সময়ে ফের একবার জ্বলে ওঠে অধিনায়ক বিরাটের চওড়া ব্যাট(৪৪ বলে ৬৮ রান)। প্রথমে মনদীপ, পরে গ্রান্ডহোমকে সাথে নিয়ে দলের স্কোর নিয়ে যান ১৫০ এর বেশি। শেষ পর্যন্ত দলের রান গিয়ে দাঁড়ায় ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৫।
১৭৬ রান তাড়া করতে নেমে প্রথমে ভালোই শুরু করে ক্রিস লিন-সুনীল নারিন জুটি। তাদের ব্যাটিং এ পাওয়ার প্লে তে কলকাতার রান কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫০এর গন্ডি পার করে। এই সময়ে শুরু হয় ঝড়বৃষ্টি। তবে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী না হওয়ায় কমেনি ওভার সংখ্যা। বোলিং পরিবর্তনে আউট হয়ে ফিরে যান নারিন। পরে নীতিশ রানাকে নিয়ে লিন জুটি বাঁধলেও একসময় আস্কিং রেট বাড়ছিল দ্রুত গতিতে। ঠিক সেইসময় থেকে শুরু হয় ব্যাঙ্গালোরের জঘন্য ফিল্ডিং। গুরুত্বপূর্ণ সময় লিনের ক্যাচ মিস্ করেন নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় এম আশ্বিন। যার খেসারত দিতে হয়েছে ব্যাঙ্গালোরকে। এছাড়া একের পর এক রান আউট মিস্ করেন তারা। নীতিশ রানা চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন। কলকাতার সমর্থকরা এদিন রাসেলের দিকে তাকিয়ে থাকলেও প্রথম বলে ক্যাচ তুলে ফিরে যান তিনি। পরে অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক ক্রিস লিনের সাথে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দরজায় পৌঁছে দেন। কিন্তু বিরাট কোহলির দুরন্ত ক্যাচে ফিরতে হয় কার্তিককে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারের প্রথম বলে শুভমান গিলের চারে জয়ের মুখ দেখে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
এদিন হারের পর দলের জঘন্য ফিল্ডিং কেই হারের কারণ বলেন বিরাট কোহলি। জানান এই ফিল্ডিং এ এর থেকে বেশি কিছু পাওয়ার ছিল না। ৫২ বলে ৬২ রান করে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন জয়ের অন্যতম কারিগর ক্রিস লিন।

No comments:
Post a Comment