পুরপ্রধান-উপ পুরপ্রধান তরজা কার্যত রাস্তায় নেমে এল। পুরসভার মধ্যেই ঠিকাদারদের হাতে মার খেলেন তৃণমূলের উপ-পুরপ্রধান।ঘটনাস্থল উত্তর দমদম পুরসভা এলাকা।শাসক দলের গোষ্ঠীদন্দ্বকে ঘিরে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বিরাটি।এমনকি পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে উত্তেজিত জনতা। পাল্টা পুলিশ লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়।জানা গিয়েছে,উত্তর দমদম পুরসভার উপ-পুরপ্রধান নাজিমুদ্দিনের কাছে অভিযোগ আসে টেন্ডার পাশ হয়ে যাওয়ার পরেও ঠিকাদাররা এলাকার উন্নয়নের কাজ করছেন না।অভিযোগ পেয়েই সেই ঠিকাদারদের ডেকে পাঠান উপ-পুরপ্রধান।
অভিযোগকারীদের দাবি, এই ঠিকাদারদের একটা বড় অংশই পুরপ্রধান কল্যাণ করের ঘনিষ্ঠ। উপ-পুরপ্রধানের সঙ্গে ঠিকাদারদের রীতিমতো উত্তপ্ত বাদানুবাদ শুরু হয়।আর সেই বাদানুবাদের মধ্যেই এক দল ঠিকাদার ঘরের মধ্যেই ঝাঁপিয়ে পড়ে নাজিমুদ্দিনের উপর। উপ-পুরপ্রধানের অনুগামীদের অভিযোগ, পুরপ্রধানের মদতেই ঠিকাদাররা হেনস্থা করেছেন নাজিমুদ্দিনকে। পুলিশ এলে উত্তেজিত তৃণমূলকর্মীরা একটি পুলিশ ভ্যানেও ভাঙচুর চালায়।এর পরেই শুরু হয়ে যায় ধুন্ধুমার। নাজিমুদ্দিনের অনুগামীরা জড়ো হন বিরাটির ব্যস্ত বণিক মোড়ে। সেখান থেকেই একটি অংশ পৌঁছন থানাতে অভিযোগ দায়ের করতে। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন নাজিমুদ্দিনের অনুগামীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই গোটা বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বের কানে যায়। খোঁজ নিতে শুরু করেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ।দলীয় কোন্দল রাস্তায় নেমে আসায়, পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে দৌড়ন সাংসদ সৌগত রায়। কিন্তু, নাজিমুদ্দিনের সমর্থকদের বিক্ষোভের সামনে পড়েন সাংসদও।তিনি জানেন,যে এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকবে তার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

No comments:
Post a Comment