২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদির প্রচারের নেপথ্যে ছিলেন অমিত শাহ। বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতির রাজনৈতিক চালেই বাজিমাত করেন নরেন্দ্র মোদি। কর্নাটকে ব্যর্থ হল বিজেপি ব্রিগেড। আর কংগ্রেসের চাণক্য হিসেবে এবার উঠে এসেছে ডি কে শিবকুমারের নাম।
কর্নাটক নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে দৌড় শেষ করলেও নাটকীয়ভাবে শেষবাজি জিতল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েও ইয়েদুরাপ্পার মুখের গ্রাস কেড়ে নিলেন জেডি(এস) নেতা এইচ ডি কুমারস্বামী। মাত্র দুদিনের মাথায় সরকার পড়ে যায়। আগামী বুধবার শপথ নেবেন কুমারস্বামী।
তবে এসব পট পরিবর্তনের পিছনে বারবার উঠে আসছে কংগ্রেস বিধায়ক ডি কে শিবকুমারের নাম। বলা হচ্ছে, কংগ্রেস-জেডিএস সমঝোতা, দুই দলের বিধায়কদের আটকে রাখা ও অন্য যাবতীয় পরিকল্পনা সব তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত। সিদ্দারামাইয়ার সরকারে শক্তি মন্ত্রী ছিলেন শিবকুমার। জোট সরকার গঠনে বিশেষ ভূমিকা নিতে দেখা যায় তাঁকে। ১৫ মে ভোটের ফল প্রকাশের পর শিবকুমার বলেন, “কংগ্রেস ও জেডি(এস)-এর একজন বিধায়কও বিজেপি -তে যাবে না। আপনারা শুধু দেখতে থাকুন।” ওইদিন সোনিয়া গান্ধি ফোন করেন জেডি(এস) সভাপতি এইচ ডি দেবেগৌড়াকে। তারপর গৌড়া-পুত্র কুমারস্বামীকে ফোন করে কংগ্রেসের তরফে মুখ্যমন্ত্রী পদে সমর্থনের কথা জানান গুলাম নবি আজ়াদ। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেন কুমারস্বামী। এরপর দলের নবনির্বাচিত বিধায়কদের বিজেপি-র হস্তগত হওয়া থেকে আগলে রাখতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন শিবকুমার।

No comments:
Post a Comment