ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় করণীয় কি? - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 23 May 2018

ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় করণীয় কি?


ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় চারটি নিয়ম মেনে চলতে হয়-
১. খাদ্য ব্যবস্থা
২. সাধ্যমতো কায়িক পরিশ্রম ও ব্যায়াম
৩. ওষুধ
৪. ডায়াবেটিস সম্পর্কিত শিক্ষা

খাদ্য ব্যবস্থা:
ডায়াবেটিস হলে খাদ্যের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাদ্যের নিয়ম মেনে চলার প্রধান উদ্দেশ্য ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা ও স্বাস্থ্য ভালো রাখা।

খাদ্য গ্রহণের নীতি
ক. শরীরের ওজন বেশি থাকলে কমানো বা কম থাকলে বাড়িয়ে স্বাভাবিক করা এবং স্বাভাবিক থাকলে সেটা বজায় রাখা।
খ. চিনি, মিষ্টি জাতীয় খাবার বাদ দেওয়া।
গ. শর্করাবহুল খাবার কিছুটা হিসাব করে খাওয়া।
ঘ. আঁশবহুল খাবার বেশি খাওয়া।
ঙ. সম্পৃক্ত ফ্যাট কম খাওয়া এবং অসম্পৃক্ত ফ্যাট খাওয়ার অভ্যাস করা।
চ. ক্যালরিবহুল খাবার নির্দেশিত পরিমাণে খাওয়া।
ছ. নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়া। জ. কোনো বেলার খাবার খাওয়া বাদ না দেওয়া।
ঝ. আজ কম, কাল বেশি এভাবে না খাওয়া।

সাধ্যমতো কায়িক পরিশ্রম ও ব্যায়াম
রোগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ব্যায়াম বা শরীরচর্চার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়াম বা দৈহিক পরিশ্রম মাংসপেশির জড়তা দূর করে এবং রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। শরীর সুস্থ থাকে। ফলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বেড়ে যায়। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট এবং সপ্তাহে কমপক্ষে ৫ দিন হাঁটলে শরীর যথেষ্ট সুস্থ থাকবে।

ওষুধ
সব ডায়াবেটিস রোগীকেই খাদ্য ব্যবস্থা, ব্যায়াম ও শৃঙ্খলা মেনে চলতে হয়। বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে পালন করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রণে এসে যায়। কিন্তু টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশনের প্রয়োজন হয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে খাবার বড়ি এবং প্রয়োজনে ইনসুলিন ব্যবহার করতে হয়।

শিক্ষা
ডায়াবেটিস আজীবনের রোগ; সঠিক ব্যবস্থা নিলে এই রোগকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই এ রোগের সুচিকিৎসার জন্য ডায়াবেটিস সম্পর্কে রোগীর যেমন শিক্ষা প্রয়োজন, তেমনি রোগীর নিকটাত্মীয়দেরও এই রোগ সম্পর্কে জ্ঞান থাকা দরকার। কারণ শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad