চাঁদনী, মহিষাদল: মঙ্গলবার পাহাড়ের ১৫ টি উন্নয়ন পর্ষদের সাথে বৈঠক করতে পাহাড়ে গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই সফরকে কটাক্ষ করে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, দিদিমণি যেখানে বেশি যান, সেখানে তৃণমূলের সর্বনাশ হয়। জঙ্গলমহল তার উদাহরণ। উনি পাহাড়ে নতুন ১৫ টা বোর্ড তৈরি করেছেন। সবাইকে কোটি কোটি টাকা দিয়েছেন। দিদিমণি ওখানে গেলে ফুল নিয়ে সবাই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে।কেন না এত টাকা খেয়েছে।কোন উন্নয়ন হয়নি। দূর্নীতির আখড়া তৈরি হয়েছে। আর দিদিমণির সভা হলে বাইর থেকে লোক নিয়ে আসে। এটুকই কাজ। ৬০০ কোটি টাকা ওখানে লুট হয়েছে।আর গজবাবুকে ভেঙ্গে ওখানে তিনি কিছু চামচা তৈরি করেছে।যারা ওখানে উনার প্রোগ্রামটা এরেঞ্জ করে। এর বেশি কিছু হয়নি। উনি শুধু চাইছেন দার্জিলিং এর বিজেপির আসনটিকে হারিয়ে তৃণমূ জিতপে উনি স্বপ্ন দেখছেন। স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে বাস্তবে কিছু হবে না। এর পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে সব সময় বলে থাকেন পাহাড় ও জঙ্গলমহল হাসছে। সেই কথা পরিপেক্ষিতে দিলীপবাবু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে মিথ্যাচার তার যোগ্য জবাব দিয়েছে জঙ্গলমহল। পাহড়ও ঠিক সময় জাবাব দেবে। পাহাড়ে যেভাবে সাধারন মানুষের উপর অত্যাচার করা হয়েছে।পাহাড়ের মানুষ তা ভালো ভাবে নিচ্ছে না। তার জবাব ঠিক সময়ে দেবে।
মঙ্গলবার পূর্বমেদিনীপুরের মহিষাদলে দলের জয়ী প্রার্থীদের সংবর্ধনা জানাতে এসে একথা সাংবাদিকদের সামনে জানান দিলীপ ঘোষ।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে বিজেপির তমলুক জেলার জয়ী প্রার্থীদের সংবর্ধনা জানানোর জন্য মহিষাদল প্রঞ্জানান্দ স্মৃতি ভবনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখা দিলীপবাবুর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরি, জেলা সভাপতি প্রদীপ দাস, কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য শীতল বাগ সহ অন্যান্যরা।
এদিন কর্মীদের আগামী ১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের জন্য এখন থেকে প্রস্তুতি শুরু করার কথা ঘোষনা করেন। আগামী ১৯ সালে বাংলা থেকে অনেক বেশি আসন আমাদের মুদিজির হাতে তুলে দিতে পারলে ২১ সালে বাংলায় আর তৃণমূল ক্ষমতায় বসতে পারবে না। তাই আমাদের সমস্ত প্রতিকুলতা দূরে সরিয়ে এখন থেকে মানুষের সাথে জনসংযোগ করতে হবে।

No comments:
Post a Comment