মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: গৃহবধূ আত্মহত্যা নাকি খুন ধন্দে পুলিশ। জানা গিয়েছে, মৃত গৃহবধূর নাম নমিতা গায়েন (২৩), স্বামী প্রসেনজিৎ গায়েন বাড়ি পুরেন্দরপুর গায়েন পাড়া থানা বারুইপুর। ছয় বছর আগে প্রেম করে বিয়ে হয়েছিল। এদের দুটি বাচ্চাও আছে। এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে বড় স্কুলে পড়াশোনা করে। গৃহবধূর বাপের বাড়ি কালিকাপুর গ্রাম ভাঁটা থানা বারুইপুর।
সূত্রের খবর, ছেলের বাড়ির লোকেরা রাত দুটোর সময় বধূর বাপের বাড়িতে নমিতার মাকে ফোন করে বলে যে আপনার মেয়ে খুব অসুস্থ আপনারা এখনি চলে আসুন। মেয়ের বাপের বাড়ির লোকেরা রাত তিনটে সময় প্রসেনজিতের বাড়িতে আসে। এসে নমিতার খোঁজ করলে প্রসেনজিতের মা বলে পুলিশ থানায় নিয়ে গেছে। থানায় এসে খোঁজ নিলে থানা থেকে বলা হয় হাসপাতালে আছে। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ছুটে যায় নমিতার বাপের বাড়ির লোকেরা। সেখানে গিয়ে দেখে নমিতার নিথর দেহ বেডে পড়ে আছে। খবর নিলে প্রসেনজিৎ বলে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে নমিতা।
তবে গলায় দাগ দেখে নমিতার বাপের বাড়ির লোকেদের সন্দেহ হয় যে নমিতাকে খুন করা হয়েছে। তবে বাপের বাড়ির লোকের অভিযোগ যে নমিতাকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো শ্বশুরবাড়ির লোকজন। নমিতা আগে ও দুইবার বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল।
নমিতার বাপের বাড়ির লোকেরা বারুইপুর থানায় প্রসেনজিৎ ও তার পরিবারের লোকেদের নামে অভিযোগ করে। তবে বারুইপুর থানার পুলিশ প্রসেনজিতকে গ্রেফতার করে। তদন্তে পুলিশ।

No comments:
Post a Comment