প্রতারণার অভিযোগে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে আপাতত কোনও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদ। ১৬ মে মামলার পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত মুকুল রায়কে গ্রেপ্তার করতে পারবে না পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে মুকুল রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে শুক্রবার রাতে মুকুল রায়ের শ্যালক সৃজন রায়কে গ্রেপ্তার করে বীজপুর থানার পুলিশ। বীজপুর থানায় সৃজন রায়ের বিরুদ্ধে ৯টি অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগগুলিতে নাম ছিল মুকুলেরও। FIR থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার আবেদেন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মুকুল।
আজ মামলার শুনানিতে মুকুল রায়ের আইনজীবী সুমিত রায়চৌধুরি বলেন, “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।” জবাবে সরকারি আইনজীবী বলেন, “তদন্ত প্রথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই মুকুল রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে।” দু'পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদ বলেন, “তদন্তের স্বার্থে মুকুল রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতেই পারে। কিন্তু, কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।”
মুকুল রায় যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন সৃজন কাঁচরাপাড়ায় রেলের কোচ ফ্যাক্টরিতে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কয়েকজন বেকার যুবকত-যুবতির থেকে টাকা নিয়েছিল বলে অভিযোগ। মাথাপিছু ৩ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। কাঁচরাপাড়ায় গড়ে ওঠার কথা ছিল রেলের কোচ ফ্যাক্টরি। যদিও সেই ফ্যাক্টরি গড়ে ওঠেনি। চাকরিও মেলেনি সেইসব বেকার যুবক-যুবতিদের। এবিষয়ে বীজপুর থানায় ৯টি অভিযোগ জমা পড়ে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে সৃজন রায়কে পুলিশ দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

No comments:
Post a Comment