প্রিসাইডিং অফিসারের মৃত্যু নিছকই কি দুর্ঘটনা নাকি দুষ্কৃতীদের ষড়যন্ত্র। যদিও প্রিসাইডিং অফিসারের খন্ড বিখন্ড দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় রাজ্যে। প্রিসাইডিং অফিসারের মৃত্যু কোনও দুর্ঘটনা নয়, এমনটাই দাবী বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলিতে। জানা যায়, ১৪ মে ছাপ্পা ভোটের প্রতিবাদ করেন রাজকুমার রায়। তারপরই অপহরণ করা হয় রাজকুমার বাবুকে। এরপর তার ছিন্ন বিচ্ছিন্ন দেহ উদ্ধার করা হয় রায়গঞ্জ রেললাইন থেকে। ট্রেনের ধাক্কা লেগে মৃত্যু হয়েছে প্রিসাইডিং অফিসার রাজকুমার রায়ের। এই দাবি করলেন উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক আয়েশা রানি। তবে রাজকুমারবাবুর মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-কে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার সন্ধেয় সাংবাদিক সম্মেলন করে জেলাশাসক বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসার রাজকুমারের মৃত্যু হয়েছে ট্রেনে কাটা পড়ে। তবে ভোটকর্মীদের দাবিমতো তদন্তভার সিআইডি উপর দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে একটি রিপোর্ট চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।”রাজকুমারবাবু যে বুথের দায়িত্বে ছিলেন সেখানকার কয়েকজন ভোটকর্মী সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জানান, ভোটগ্রহণ হয়েছিল সেদিন সন্ধে পর্যন্ত। কাউকে না জানিয়ে রাজকুমারবাবু ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বাইরে বেরিয়ে যান। তারপর আর তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। বুথেও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন সকলে।
সাংবাদিক বৈঠকে জেলা পুলিশসুপার শ্যাম সিং জানান, মৃত প্রিসাইডিং অফিসারের ট্রেনে কাটা যাওয়ার খবর ডালখোলা জিআরপি থেকে জানতে পারেন তিনি।

No comments:
Post a Comment