বীর্যপাত বন্ধ রেখে বেশী সময় যৌন মিলন করার পদ্ধতি - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 14 May 2018

বীর্যপাত বন্ধ রেখে বেশী সময় যৌন মিলন করার পদ্ধতি



পোষ্টটি তাদের জন্য যারা অধিক সময় ধরে মিলন করতে পারেন না। অধিক সময় দরে যৌন মিলন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধিতর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে। মিলনে পুরুষের অধিক সময় নেওয়া পুরুষত্বের মূল যোগ্যতা হিসেবে গন্য হয়। যেকোন পুরুষ বয়সের সাথে সাথে সহবাসের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে। এখানে বলে রাখতে চাই-২৫ বছেরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে সহবাস করতে পারেনা।

তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫ এরপর বয়স যত বাড়বে সহবাসে পুরুষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানেও বাড়তে থাকে। তাছাড় একা নারী কিংবা এক পুরুষের সাথে বারবার সহবাস করলে যৌন মিলনে অধিক সময় দেখা যায় এবং সহবাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরূপ: নিয়মিত সহবাসে একে অপরের শরীর এবং ভালো লাগা/মন্দ লাগা, পছন্সই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সর্ম্পকে ভালোভাবে অবহিত থাকে। সহবাসে অধিক সময় দেয়ার পদ্ধতি সমূহ নিয়ে আজকের আলোচনা। পদ্ধতিতে আসা যাক।

পদ্ধতি১: চেপে/টিপে(স্কুইজ)ধরা: অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে ধরত হয়? যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে বীর্য বহি:র্গামী হয় সে শিরা কয়েক সেকেন্ডের জন্য চেপে ধরবেন। চাপ ছেড়ে দেয়ার পর ৩০-৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কার্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন। এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকাশীর প্রমাণ ছাড়া আর কিছু নয়।

পদ্ধতি২: সংকোচন(টেনসিং) অধিক সময় ধরে পোন মিলন করার এ পদ্ধতি সর্ম্পকে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই আমারা প্রসাব করার সময় প্রসাব পুরুপোরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্ণিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখানে আমারা খিচুনী প্রয়োগ করবো- চাপ নয়। এবার মূল বর্ণনা- মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন র্বীয স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad